জাতীয়

জাতির কাছে বিএনপিকে ক্ষমা চাইতে বললেন হানিফ

ঢাকা, ২০ মার্চ – গণতন্ত্রের কথা বলার আগে বিএনপিকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। বিএনপির নেতাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না এমন মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, যারা এখনও এদেশের উন্নয়ন মানতে পারে না, তারা পাকিস্তানের অনুসারী।

শনিবার (২০ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলরুমে ‘প্রায়ত রাষ্ট্রপতি আলহাজ মো. জিল্লুর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালন’ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, আজকে বিএনপির নেতারা গণতন্ত্রের কথা বলে, আমি সবসময় বলি আর যাই হোক বিএনপির মত সন্ত্রাসী দলের মুখ থেকে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না এবং জাতি শুনতেও চায় না। এই দল ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছিল। গণতন্ত্রকে কবর দিয়েছিলো। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে এসে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পরে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিল। বিনা বিচারে বহু মুক্তিযোদ্ধা ও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের হত্যা ও ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়েছিল। সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনী প্রায় ১২শ কর্মকর্তাকে ফাঁসিতে ঝুলেছিল জিয়াউর রহমান। সেই দলের নেতাদের কাছ থেকে এখন গণতন্ত্রের কথা শুনতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন : ‘পদের জন্য নয়, মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন বঙ্গবন্ধু’

প্রায়ত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, জিল্লুর রহমান সাহেব শেখ মুজিবের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তিনি রাজনীতির কারণে কখনো আওয়ামী লীগ, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনা এই চারটি বিষয়ে কখনো কারো সঙ্গে আপোস করেননি।

হানিফ বলেন, ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলায় জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী আইভি রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। আজকে যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারাই সেদিন এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাদের ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে হানিফ বলেন, এই মৃত্যুবার্ষিকীতে তাদের সেই অপকর্মের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। তারপর তারা যদি গণতন্ত্রের কথা বলেন, তখন মানুষের কাছে সেটা যৌক্তিক মনে হলে হতেও পারে।

‘জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটি’ সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, সংসদ সদস্য নূরুল আমীন রুহুল,আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

সূত্র: পূর্বপশ্চিমবিডি
অভি/ ২০ মার্চ


Back to top button
🌐 Read in Your Language