মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘নরক’ তৈরির হুঁশিয়ারি

তেহরান, ৭ সেপ্টেম্বর – ইরানের জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘নরক’ হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই। তিনি জানান, সম্প্রতি ইরানের বিশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার মুখে মার্কিন রণতরীটি পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির বাইরে নতুন একটি ‘নিষেধাজ্ঞা এলাকা’ তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন মোহসেন রেজাই। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের সীমারেখা থেকে শুরু করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে এই এলাকা বিস্তৃত থাকবে।
এই নির্ধারিত এলাকায় প্রবেশকারী প্রতিটি জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়েও কথা বলেন এই শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। তিনি দাবি করেন, এসব নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে না।
বর্তমানে দেশটিতে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। মোহসেন রেজাই আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা হুমকি ও হামলা পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।
এস এম/ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
FAQ
১. হরমুজ প্রণালির বাইরে ইরান কী ঘোষণা করতে চলেছে?
ইরান একটি নতুন নিয়ন্ত্রিত বা ‘নিষিদ্ধ’ সামুদ্রিক এলাকা ঘোষণা করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। ওই এলাকায় প্রবেশকারী জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হতে পারে।
২. ইরান কি সত্যিই মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে?
মোহসেন রেজাই দাবি করেছেন, একটি মার্কিন নৌযানের ওপর নতুন জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি এবং মার্কিন পক্ষ ইরানের হামলার দাবি অস্বীকার করেছে।
৩. নতুন নিষিদ্ধ এলাকা কোথায় হবে?
রেজাইয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এলাকা মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধরেখা থেকে শুরু হয়ে পারস্য উপসাগরের দিকে বিস্তৃত হবে।
৪. ইরান কেন হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার কথা বলছে?
রেজাইয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরান প্রণালিটি বন্ধ রাখবে।
৫. এই পরিস্থিতির প্রভাব কী হতে পারে?
হরমুজে জাহাজ চলাচল আরও ব্যাহত হলে তেল পরিবহন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়তে পারে।







