দক্ষিণ এশিয়া

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সিজেপির উদযাপন নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক

দিল্লি, ২৮ জুলাই – টানা ৩৭ দিনের আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সাফল্য উদযাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেদের জোরালো উপস্থিতি জানান দিলেও দলটির নেতাকর্মীদের আচরণ ও মন্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

সম্প্রতি দিল্লির একটি হোটেলে দলের নেতাদের নাচানাচি ও কেক কাটার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এই সমালোচনা আরও জোরালো হয়। সিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ইউটিউবার মেঘনাদ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন যে, যখন ডজন ডজন আন্দোলনকারী দিল্লির রাস্তায় গৃহহীন ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাত কাটাচ্ছিলেন, তখন দলের শীর্ষ নেতারা বিলাসবহুল উদযাপনে মত্ত ছিলেন। মেঘনাদ জানান, যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন অবস্থান করা স্বেচ্ছাসেবকদের খাবার ও বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করতে হয়েছে তাকে এবং তার কয়েকজন সহযোগীকে।

সিজেপির আন্দোলনে সংহতি জানানো বিশিষ্ট সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও এই উদযাপনের ধরন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বিজয়ের মুহূর্তে বিনয় এবং দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। অন্যদিকে অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত সিজেপির স্লোগান ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টের ভাষা নিয়ে আগে থেকেই সমালোচনা করে আসছিলেন।

তবে সব সমালোচনা নাকচ করে নিজের অবস্থানের সপক্ষে সাফাই গেয়েছেন দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস। তিনি এই উদযাপনকে তরুণ প্রজন্মের নতুন ধারার রাজনীতি হিসেবে অভিহিত করেন।

তার মতে সিজেপি এমন একটি প্রজন্মকে প্রতিনিধিত্ব করে যারা একই সাথে রাজপথে আন্দোলন করতে পারে এবং সৃজনশীলভাবে সাফল্য উদযাপন করতে জানে। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন যে তরুণ প্রজন্মের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হওয়া ব্যক্তিরাই মূলত এই ধরনের অভিযোগ তুলছেন।

এস এম/ ২৮ জুলাই ২০২৬


Back to top button