কণ্ঠের মাদকতা পেতে নিজের ওপর অত্যাচার করেছিলেন অরিজিৎ সিং

মুর্শিদাবাদ, ২৫ এপ্রিল – মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের সাধারণ এক কিশোর থেকে বিশ্বখ্যাত গায়ক হয়ে ওঠার পথটি অরিজিৎ সিংয়ের জন্য সহজ ছিল না। আজ তার গায়কী ও কণ্ঠের জাদুতে কোটি ভক্ত বিমোহিত হলেও এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ বছরের কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মত্যাগের গল্প।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের লড়াই ও নিজের কণ্ঠস্বর পরিবর্তনের অজানাকথা জানিয়েছেন এই শিল্পী।
অরিজিৎ জানান যে ক্যারিয়ারের শুরুতে নিজের গলার স্বর নিয়ে তিনি নিজেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। এমনকি সেই সময়ে অনেকেই তার কণ্ঠ পছন্দ করতেন না এবং তাকে নানা সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল।নিজের কণ্ঠকে একটি নির্দিষ্ট ছাঁচে গড়তে এবং গায়কিতে ভিন্ন মাত্রা আনতে তিনি কঠোর সাধনা শুরু করেন। এই প্রক্রিয়ায় নিজের গলার ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছিলেন বলেও স্বীকার করেন তিনি।
নিজের কণ্ঠস্বর তৈরির অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে অরিজিৎ বলেন যে তিনি অনেকটা স্থাপত্য নির্মাণের মতো করে নিজের গলাকে ভেঙে নতুন রূপ দিয়েছেন। কণ্ঠের পেশিগুলোকে কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে নিতে তিনি নিয়মিত রেওয়াজ করতেন। অনেক সময় সারা রাত ধরে অনুশীলনের ফলে তার গলা পুরোপুরি ভেঙে যেত।
নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করতে এবং কণ্ঠে কাঙ্ক্ষিত আবেগ ফুটিয়ে তুলতে তিনি প্রতিনিয়ত নিজেকে ভেঙেছেন।
দীর্ঘ ১৫ বছরের সংগীত জীবনে আশিকী ২ সিনেমার মাধ্যমে অরিজিৎ সিং জনপ্রিয়তা ও সাফল্যের শিখরে পৌঁছান। তবে আজকের এই বিশ্বজোড়া খ্যাতির মূলে রয়েছে সেই সময়কার অমানুষিক পরিশ্রম এবং নিজের কাজের প্রতি অদম্য নিষ্ঠা।
এনএন/ ২৫ এপ্রিল ২০২৬









