মধ্যপ্রাচ্য

ইসরায়েলকে কড়া বার্তা দিল পাকিস্তান

ইসলামবাদ, ১৬ অক্টোবর – ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানজুড়ে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার উল হক কাকার অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও গাজার অবরুদ্ধতা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলিল আব্বাস জিলানি ইসরায়েলের হামলাকে গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সোমবার (১৬ অক্টোবর) সিএনএনের লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কাকার গাজায় চলমান যুদ্ধে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি গাজায় বেসামরিক লোকদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করেছেন।

এর আগে রোববার (১৫ অক্টোবর) পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক এফএম জলিল আব্বাস জিলানি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বোমা হামলার নিন্দা করেছেন এবং এই কর্মকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছেন।

তিনি বলেন, এটি একটি মানবিক সংকট। আসলে এটি ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েল কর্তৃক পরিচালিত গণহত্যা। আমাদের অবস্থান হল ফিলিস্তিনি সংগ্রামের সাথে আগ্রাসী ইসরায়েলকে সমান করার যে কোনো প্রচেষ্টা পাকিস্তানের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান গাজায় সাহায্য পাঠাতে প্রস্তুত আছে এবং মিসরের সঙ্গে এ বিষয়ে তারা যোগাযোগও করেছে। যেহেতু ইসরায়েল সব সীমানা বন্ধ করে রেখেছে সেহেতু শুধু রাফা সীমান্ত দিয়ে সাহায্য পাঠানো হবে।

পাকিস্তানের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। এমনকি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না গঠন না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান। দেশটির নাগরিকরা ইহুদিবাদী দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারেন না। কারণ তাদের পাসপোর্টে লেখা আছে ইসরায়েল ছাড়া সব বিশ্বের সব দেশের জন্য প্রযোজ্য।

শনিবার (৫ অক্টোবর) গাজা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে হাজার হাজার রকেট ছুড়ে হামাস। সেইসঙ্গে ইসরায়েলের সীমানা ভেঙ্গে দেশটিতে তাণ্ডব চালায় হাজারো হামাসের যোদ্ধা। হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১ হাজার ৪০০ নিহত হয়। আহত হয়েছে, ৩ হাজারের বেশি। এরই জেরে রোববার (৬ অক্টোবর) থেকে গাজায় আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল বাহিনী। এতে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৬০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছে ৮ হাজারের বেশি মানুষ।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ১৬ অক্টোবর ২০২৩


Back to top button
🌐 Read in Your Language