বৃথা গেল রকিবুলের সেঞ্চুরি, আবারও হারলো রূপগঞ্জ

ঢাকা, ২১ মার্চ – ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে আবারও হেরেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। আজ রোববার বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে তাদের ৪ উইকেটে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।
আগে ব্যাট করে রকিবুলের অনবদ্য ১২১ রানের ইনিংসে ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান তোলে রূপগঞ্জ। জবাবে শাহাদাত হোসেনের অপরাজিত ১৩১ রানের ইনিংসে ভর করে ৪৮.১ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২০ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে রূপগঞ্জ। এরপর শুরু হয় নাঈম-রকিবুলের প্রতিরোধ। দুজনে শুরুতে উইকেটে থিতু হয়ে ইনিংস গড়ায় মনোযোগ দেন। হাফ সেঞ্চুরির পর ধীরে ধীরে দুজনেই এগোতে থাকেন সেঞ্চুরির দিকে।
প্রাইম ব্যাংকের কোনো বোলারই দুই ব্যাটসম্যানকে টলাতে পারেনি। রকিবুল ১১২ বলে শতকের দেখা পেলেও নাঈম আটকে যান নব্বইয়ের ঘরে, ৯১ রানে। ৮ চার ও ৩ ছয়ে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পান রকিবুল। শেষ পর্যন্ত আউট হন ১২১ রানে।
রকিবুলের পর নাঈমও ছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু নব্বইয়ের ঘরে যাওয়ার পর ভাগ্য সহায় হয়নি তার। ৪৫তম ওভারের চতুর্থ বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ধরা পড়েন নাহিদুল ইসলামের হাতে। ১০৯ বলে ৬টি চার ও ৪টি ছয়ে ৯১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন ৯১ বলে।
নাঈমের আউটে ভাঙে দুজনের ২০০ রানের জুটি। ২১৪ বলে চতুর্থ উইকেটের জুটিতে তারা এই রান যোগ করেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি ২৭৬ রানের। যা লিস্ট এ ক্রিকেটে বিশ্বরেকর্ডও। প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে এই জুটি গড়েন মুমিনুল হক ও রোশেন সিলভা।
শেষ দিকে ১৩ বলে ১০ রান নিয়ে চিরাগ জানি ও ১৪ বলে ১৯ রান নিয়ে মাশরাফি অপরাজিত ছিলেন। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন রুবেল হোসেন।
২৬৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় প্রাইম ব্যাংকের। উদ্বোধনী জুটিতে এনামুল হক ও শাহাদাত হোসেন ১২৫ রান তুলে ম্যাচ নিজেদের নাগালে নিয়ে আসেন। এনামুল ৫৩ রান করে আউট হলেও শাহাদাতকে আউট করা যায়নি। তিনি ১৪৫ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ১৩১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।
বল হাতে রূপগঞ্জের নাবিল সামাদ ৩টি ও সঞ্জিত সাহা ২টি উইকেট নেন।
অনবদ্য ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন শাহাদাত।
সূত্র : রাইজিংবিডি
এম এস, ২১ মার্চ









