গান্ধীজী ‘ভারত ছাড়ো’ করেছিলেন, আমাদের ‘ভারত জোড়ো’ আন্দোলন করতে হবে: মোদী

নয়াদিল্লি, ২৫ জুলাই – ৭৯ ‘মন কী বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে প্রাকস্বাধীনতা দিবসের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী৷ পাশপাশি আগামী কার্গিল বিজয় দিবসের কথা উল্লেখ করে দেশের জওয়ানদের শৌর্যে ও বীরগাথার কথা মনে করালেন। একইসঙ্গে গান্ধীজীর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘দেশ যখন পরাধীন ছিল তখন গান্ধীজী ইংরাজদের বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ো আন্দোলন করেছিলেন। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে আমাদের উচিৎ ভারত জোড়ো আন্দোলন করা।
রবিবার মন কী বাত অনুষ্ঠান টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী দেশের অ্যাথলিটদের অভিনন্দনের মাধ্যমে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী।
অলিম্পিক্সের সূচনার সময় তেরঙ্গা হাতে ভারতীয় দলকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছিল গোটা দেশ। আজকের মন কি বাত অনুষ্ঠানে মোদীর ভাষণেও ধরা পড়ল সেই আবেগ। তিনি বললেন, ‘অলিম্পিক্সে আমাদের দেশের খেলোয়াড়দের তেরঙ্গা নিয়ে হাঁটতে দেখে আমার পাশাপাশি গর্ববোধ করছিল গোটা দেশ। যেন সবাই একজোট হয়ে ক্রীড়াবিদদের বলছিলেন বিজয়ী ভবঃ, বিজয়ী ভবঃ। এই ক্রীড়াবিদরা যখন টোকিওর উদ্দেশ্যে রওনা দেন, তাঁদের সঙ্গে আলাপচারিতার সুযোগ পেয়েছিলাম আমি। এঁরা জীবনের অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে এই জায়গায় পৌঁছেছেন। আজ তাঁদের কাছে আপনাদের সবার ভালোবাসা এবং সমর্থন রয়েছে।’ ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সমর্থনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘ভিক্ট্রি পাঞ্চ ক্যাম্পেইন’এর কথাও বলেন মোদী।
২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবসের প্রসঙ্গও উঠে আসে মোদীর বক্তৃতায়৷ প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘কার্গিল যুদ্ধ ভারতীয় সেনার সংযম এবং শৌর্যের উদাহরণ। এর সাক্ষী থেকেছে গোটাবিশ্ব। এই বছর এই ঐতিহাসিক দিনটি অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে পালিত হবে। আমি চাইব আপনারা সবাই কার্গিলের ঘটনাগুলি পড়ুন, জানুন। শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।’
দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়েও কথা বলেন মোদী৷ তাঁর বক্তব্য, ‘ যে স্বাধীনতার জন্য দেশ শতকের পর শতক ধরে অপেক্ষা করেছে। তার ৭৫ বছর পূর্তির সাক্ষী থাকতে পেরে আমরা গর্বিত। এই উদযাপনের জন্য ১২ মার্চ তারিখে সবরমতি আশ্রম থেকে শুরু হওয়া অমৃত উৎসবের কথাও মনে করিয়ে দেন মোদী।
সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া
এম ইউ/২৫ জুলাই ২০২১









