জাতীয়

রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস: পৌনে তিন মাসেই এলো ৮০২ কোটি ডলার

ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর – দেশের অর্থনীতির পালে হাওয়া লেগেছে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) অভাবনীয় ও অভূতপূর্ব জোয়ারে! চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রায় একের পর এক ইতিবাচক রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। ১ জুলাই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর—এই পৌনে তিন মাসেরও কম সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে রেকর্ড ৮০২ কোটি ২০ লাখ (৮.০২২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার।

গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭০৬ কোটি ৪০ লাখ (৭.০৬৪ বিলিয়ন) ডলার। অর্থাৎ, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে এক লাফেই ১৩.৬ শতাংশ বিশাল প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে!

সেপ্টেম্বরের ২৩ দিনে ২.১৯ বিলিয়ন ডলার, এক দিনেই এলো ৬ কোটি ২০ লাখ!

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ দিনেই ২.১৯৬ বিলিয়ন (২১৯ কোটি ৬০ লাখ) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যেখানে গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২১৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার (১.৫% প্রবৃদ্ধি)।

কেবল গত ২৩ সেপ্টেম্বর একদিনেই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে এসেছে ৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।

টাকার মান শক্তিশালী: সাড়ে পাঁচ বছরের ধারায় ইতিবাচক মোড়!

প্রবাসী আয়ের এই শক্তিশালী প্রবাহে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশীয় মুদ্রা ‘টাকা’।

অর্থনীতির সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ সূচক:

কমেছে ডলারের দর: খোলা বাজারে ডলারের দাম সম্প্রতি ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে কমে ১২৩ টাকায় নেমে এসেছে।

সাড়ে ৫ বছরের সংকটে বিরতি: গত সাড়ে পাঁচ বছর ধরে টাকার মান ধারাবাহিকভাবে কমার যে ধারা চলছিল, প্রবাসীদের পাঠানো প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে তাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুবাতাস দেখা যাচ্ছে।

ব্যাংকিং খাতে স্বস্তি: প্রবাসী আয় বাড়ায় ব্যাংকগুলোতে তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, যা মুদ্রা বাজারের ওপর থেকে সৃষ্টি হওয়া বড় ধরনের চাপ কমিয়ে এনেছে।

এনএন/ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Back to top button
🌐 Read in Your Language