জাতীয়

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর – বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করার লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি বিমানযোগে তিনি নিউইয়র্কের পথে রওনা হন। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূ-রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সফরসঙ্গী ও কূটনৈতিক তোড়জোর

প্রধানমন্ত্রীর এই রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গে রয়েছেন এক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক ও নীতি-নির্ধারক প্রতিনিধি দল:

সঙ্গী হিসেবে সহধর্মিণী: প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

মন্ত্রিসভা ও প্রশাসনিক বহর: সফরে তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, দেশের প্রবীণ রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নীতি-নির্ধারক ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা।

গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকসমূহ: সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনে ভাষণ দেওয়া ছাড়াও বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক (Bilateral) ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈশ্বিক মঞ্চে কী থাকছে বাংলাদেশের প্রধান এজেন্ডায়?

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতি ও দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বমঞ্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতি থেকে কী প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ? বিশ্লেষকদের মতে মূল আলোকপাত থাকবে ৩টি বিষয়ে:

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান: রোহিঙ্গা পুনর্বাসন ও তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা আদায়ে পুনরায় জোরালো তাগিদ দেওয়া।

বৈদেশিক বিনিয়োগ ও নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ক: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রবাসী ব্যবসায়ী ও আন্তর্জাতিক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশে নতুন বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা।

জলবায়ু অর্থায়ন ও উন্নয়ন: পরিবেশগত ঝুঁকিতে থাকা দেশ হিসেবে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ তহবিলের সুষ্ঠু বণ্টন ও বিশ্ব দরবারে অর্থনৈতিক উন্নয়ন রূপরেখা উপস্থাপন।

সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও কৌতুহল

ভোরবেলায় প্রধানমন্ত্রীর যাত্রার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ফেসবুক ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। বিশ্ব দরবারে দেশের নতুন ভাবমূর্তি তুলে ধরতে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে কূটনৈতিক সাফল্য অর্জনে এই সফর কতটা ভূমিকা রাখবে—তা নিয়েই এখন সর্বত্র জোর চর্চা চলছে।

এনএন/ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Back to top button
🌐 Read in Your Language