দেশের শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরির নির্দেশ সরকারের

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর – সারা দেশের শতবর্ষী স্কুল ও কলেজগুলোর বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এই নির্দেশনার অংশ হিসেবে দেশের সকল শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। মাউশির সহকারী পরিচালক কামরুন্নাহার রীমা স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে দেশের সকল আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের অধীন থাকা শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা দ্রুত পাঠাতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লিখিত নির্ধারিত ছক অনুযায়ী এবং নিকোশব্যান ফন্টে আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট ই মেইলে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা, ইআইআইএন নম্বর, প্রতিষ্ঠার তারিখ এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম ও মোবাইল নম্বর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বেসরকারি কলেজ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলমের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে সরকারের নতুন এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। ওই চিঠিতেই একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রস্তুত করে মাউশির মহাপরিচালকের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
এনএন/ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
FAQ
শতবর্ষী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা কেন চাওয়া হয়েছে?
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশের শতবর্ষী স্কুল ও কলেজের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এই নির্দেশনায় নির্দিষ্ট করা হয়নি।
কোন কোন প্রতিষ্ঠানের তথ্য দিতে হবে?
মাউশির সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের অধীন থাকা শতবর্ষী স্কুল ও কলেজের তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
তালিকায় কী কী তথ্য থাকবে?
প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা, EIIN নম্বর, প্রতিষ্ঠার তারিখ এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নাম ও মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
তথ্য জমা দেওয়ার সময় কত?
নির্ধারিত ছকে তথ্য দুই কর্মদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট ই-মেইলে পাঠাতে বলা হয়েছে।
তথ্য কোন ফন্টে পাঠাতে হবে?
মাউশির অফিস আদেশে নির্ধারিত ছকে ‘নিকোশব্যান’ ফন্টে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শতবর্ষী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন কোনো সুবিধা ঘোষণা হয়েছে কি?
এই নির্দেশনায় কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক সুবিধা, বিশেষ মর্যাদা বা উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। আপাতত তথ্য সংগ্রহ ও তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।







