জাতীয়

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি চাইলেন পীর সাহেব চরমোনাই

ঢাকা, ৪ মে – ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে নির্মোহ তদন্ত, দোষীদের শাস্তি এবং ভুক্তভোগীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

সোমবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন যে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকায় যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল তা আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের ইতিহাসে এক বর্বরোচিত ও কলঙ্কময় অধ্যায়। নিজ দেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর সশস্ত্র অভিযান চালানোর নজির ইতিহাসে বিরল। সেদিন যারা শাপলা চত্বরে অবস্থান করছিলেন তাদের অধিকাংশই ছিল অল্পবয়সী ছাত্র এবং তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের অস্ত্র ছিল না।

তিনি অভিযোগ করেন যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ইসলাম ও মাদ্রাসার প্রতি বিদ্বেষ থেকে সেই অভিযান পরিচালনা করেছিল। মুফতি রেজাউল করীম বলেন যে ওই বীভৎস হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের স্বৈরতন্ত্রের শিকড় আরও গভীরে প্রোথিত হয় এবং এর পরিণাম জাতিকে দীর্ঘ ১১ বছর বহন করতে হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে তিনি সে সময়ের রাজনৈতিক সংগঠন, বুদ্ধিজীবী ও সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও পুনর্মূল্যায়নের তাগিদ দেন। ইসলামী আন্দোলনের আমির আরও দাবি করেন যে শাপলা চত্বরে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের জাতীয় বীরের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে শাপলা চত্বর কেন্দ্রিক সকল মামলা প্রত্যাহার করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এস এম/ ৪ মে ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language