রূপচর্চা

রূপচর্চায় কফি

এক কাপ কফি পানে চাঙ্গা হয়ে গেলেই কফির কাজ শেষ হয়ে যায় না। ত্বক, চুল ও চোখের যত্নেও কফির আছে বিশেষত্ব। কফির গুড়োর হরদম ব্যবহার হচ্ছে সৌন্দর্যচর্চায়।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

কফিতে আছে ভরপুর প্রোটেক্টিভ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিক্যালকে শায়েস্তা করে। কফি মেশানো সাবান বা এর গুড়ো মাখলে ত্বকে তারুণ্য বজায় থাকে। ত্বকের প্রাকৃতিক প্রতিরোধক ব্যবস্থাও শক্তিশালী হয়।

ইউভি থেকে বাঁচায়

কফিতে থাকা ক্যাফেইন সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়। ত্বকের ক্যান্সারসহ নানা জটিলতার মূলে আছে সূর্যের ইউভি রশ্মি। কফিতে আছে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, যা ত্বকের মেলানোমা ক্যান্সারের ডিএনএ ধ্বংস করতে পারে।

উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক

কফিতে থাকা ক্যাফিক এসিড ত্বকের লোমকূপ খুলে দেয়। এতে ত্বকে জমে থাকা ধুলো পরিষ্কার হয়। ত্বক হয় উজ্জ্বল মসৃণ ও টানটান। কফি ত্বকের কোষের পুনঃবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে, কোলাজেন টিসুর সংখ্যা বাড়ায় ও ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে স্বাস্থ্যকর ত্বক পেতে কফিতে থাকা উপাদানগুলোর জুড়ি মেলা ভার।

ফেইস ও বডি স্ক্রাব

মুখ ও শরীরের মৃত কোষ দূর করতে কফির গুড়োর সঙ্গে ব্রাউন সুগার ও অলিভ অয়েল মেশান। প্রাকৃতিক স্ক্রাবটি দারুণ কাজ করবে। বৃত্তাকারভাবে আলতো করে মুখ ও শরীরে কিছুক্ষণ স্ক্রাবিং করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

স্কাল্প এক্সফোলিয়েটর

চুলেও আছে কফির কারিশমা। শ্যাম্পু করার আগে আধা কাপ কফি গুড়ো স্কালপে দুই মিনিট ধরে ম্যাসাজ করে তারপর শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এটি চুলের মৃত কোষ দূর করবে। আবার প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজও করবে।

ত্বকের উজ্জলতায় কফি মাস্ক

কফির গুড়ো ও কয়েক চামচ দুধের গুড়ো মিশিয়ে তৈরি এই ফেইস মাস্ক ১০-১৫ মিনিট মুখে রেখে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এটি উজ্জ্বল ত্বক পেতে সহায়তা করবে।

চোখের ফোলাভাব কমাবে

কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টাল উপাদান ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়। আবার চোখের চারদিকে গোলাকারভাবে আলতো করে কফির আইস কিউব ব্যবহারেও ফোলাভাব কমবে।

এস সি/১৩ জুন

Back to top button