ফুটবল

পর্তুগাল শিবিরে বড় বিতর্ক: সিআরসেভেনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ, সাময়িক নিষিদ্ধ রোনালদো

লিসবন, ১০ অক্টোবর – আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের (FPF) সাম্প্রতিক ঘোষণা। জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে হঠাৎ চলে যাওয়ার ঘটনায় দলীয় অধিনায়ক ও কিংবদন্তি তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শুরু করেছে এফপিএফ। শৃঙ্খলাবিধির ১৬০ (২) ধারা অনুযায়ী পূর্বসতর্কতা হিসেবে তাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (Provisional Suspension) করা হয়েছে।

কেন এই বিবাদ? নেপথ্যের ঘটনা

উয়েফা নেসন্স লিগে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে সুযোগ না পাওয়ার পর পুরো সময়টাই বেঞ্চে বসে কাটাতে হয় রোনালদোকে। পরবর্তীতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ম্যাচেও শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে, ম্যাচের একদিন আগেই কোপেনহেগেনের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ছাড়েন ৪০ বছর বয়সী এই তারকা।

পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ জর্জ জেসুস ও ফেডারেশন সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনকা বিমানবন্দর পর্যন্ত গিয়ে তাকে থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে এক দীর্ঘ বিবৃতিতে রোনালদো জানান, কোচ জেসুস দুইবার তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন এবং সে কারণেই তিনি ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

শাস্তির মাত্রা ও বর্তমান আপডেট

সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা: নিয়ম অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া ক্যাম্প ত্যাগের কারণে ১ থেকে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা হতে পারে।

শাস্তি কমার সুযোগ: রোনালদো কোনো অজুহাত না দিয়ে সরাসরি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন এবং অধিনায়ক হিসেবে একে ‘গুরুতর অপরাধ’ উল্লেখ করে শাস্তির দাবি তুলেছেন। পর্তুগিজ ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সম্পূর্ণ অপরাধ স্বীকার করায় তার মূল সাজা অর্ধেক (যেমন: ১ মাসের পরিবর্তে ১৫ দিন) করা হতে পারে।

ভবিষ্যৎ ভাবনা: সাময়িক নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন রোনালদো তার ক্লাব আল-নাসরের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন এবং জাতীয় দল থেকে অবসরের কোনো ইঙ্গিত দেননি।

এনএন/ ১০ অক্টোবর ২০২৬

Back to top button
🌐 Read in Your Language