২০২৭ সালের হজে নিবন্ধনে ধীরগতি, কোটা পূরণ না হওয়ার আশঙ্কা

ঢাকা, ৩১ আগস্ট – ২০২৭ সালের পবিত্র হজ পালনের জন্য এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২১৭ জন প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৯৩ জন আগ্রহী ব্যক্তি নিবন্ধিত হয়েছেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হজের কোটা পূরণ হওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
গত রবিবার ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, ওমরাহ পালনের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এবং হজের খরচ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এ বছর নিবন্ধনে প্রত্যাশিত সাড়া মিলছে না। হজ পোর্টালের তথ্যানুযায়ী, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৫৯৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬০ হাজার ১২৯ জন এ পর্যন্ত প্রাক নিবন্ধন করেছেন।
নির্ধারিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, হজে গমনেচ্ছুদের প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা ফি জমা দিয়ে প্রাক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়। পরবর্তীতে প্রাক নিবন্ধনের ক্রম অনুসারে জাতীয় হজ ডাটাবেসে তাদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।
সৌদি আরবের দেওয়া রোডম্যাপ অনুসরণ করে ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম গত ২৮ জুলাই শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়া আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, প্রতিবছরের মতো এবারও নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।
প্রাক নিবন্ধিত ও প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে হজের চূড়ান্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রাক নিবন্ধিতদের নির্ধারিত ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়। এরপর প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে। আগ্রহী ব্যক্তিরা সরকারি ব্যবস্থাপনা অথবা অনুমোদিত বেসরকারি হজ এজেন্সির যেকোনো একটির মাধ্যমে হজ পালনের সুযোগ পাবেন।
এস এম/ ৩১ আগস্ট ২০২৬









