দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই, মজুত আছে পর্যাপ্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ মে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন যে, মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে দেশের জন্য সব ধরণের টিকার বিশাল মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে যা একটি নতুন রেকর্ড। তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমানে দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই এবং ভবিষ্যতেও সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
বুধবার রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ইউনিসেফের পক্ষ থেকে পাঠানো হাম-রুবেলা টিকার চালান গ্রহণ শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন যে আজকের চালানে একসাথে ১৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। এর পাশাপাশি নয় হাজার টিডি-টিটাস সিরিজের টিকাও গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান যে এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছাবে এবং এই কার্যক্রম নিয়মিত চলবে।
মন্ত্রী জানান যে আগামী ১০ মে দেশে আরও এক কোটি আট লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, ওপিভি এবং পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা আসবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ বাফার স্টক গড়ে তোলা হবে। এই সফলতার জন্য তিনি ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
গত ৪ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে এবং দ্রুতই শতভাগ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। হাম মোকাবিলার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে টিকা দেওয়ার পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তবুও পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় শয্যা এবং সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এমনকি প্রয়োজনে অস্থায়ী বা মোবাইল হাসপাতাল স্থাপনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। মন্ত্রী আরও যোগ করেন যে অতীতে পর্যাপ্ত মজুত না থাকা এবং নিয়মিত ক্যাম্পেইনের অভাবে সংকট তৈরি হতো। তবে বর্তমান সরকারের ঐকান্তিক চেষ্টায় সেই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
এস এম/ ৬ মে ২০২৬









