সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গীকার

ঢাকা, ১০ এপ্রিল – বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মিল্টন ডিকের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় প্রতিনিধিদলের এক বৈঠকে এই অঙ্গীকারের কথা জানানো হয়।
বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার স্পিকার বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া অন্যতম। তিনি বাংলাদেশের অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং বিশ্বব্যাপী সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহত করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির আর্থসামাজিক অবদানেরও প্রশংসা করেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার চলমান সহায়তার কথা উল্লেখ করে তিনি ধন্যবাদ জানান।
বৈঠকে দুই দেশের সংসদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তঃসংসদীয় কর্মসূচি চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ সংকট নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।
অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছে। সফরের অংশ হিসেবে তারা জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন করেন এবং সংসদের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রতিনিধিদলটি জুলাই মেমোরিয়াল জাদুঘর পরিদর্শন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার সংসদের ১২৫ বছরের ইতিহাসে কোনো অস্ট্রেলীয় স্পিকারের এটিই প্রথম বাংলাদেশ সফর।
এনএন/ ১০ এপ্রিল ২০২৬









