রাত ৮টায় দোকান বন্ধ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভ্রান্তি, শনিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

ঢাকা, ২ এপ্রিল – দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতার লক্ষ্যে রাত আটটার মধ্যে দোকান এবং শপিংমল বন্ধ রাখার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি গঠিত বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি বৃহস্পতিবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরের ঘোষণা দেয়। তবে পুরোনো সংগঠন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি জানিয়েছে এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। আগামী শনিবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে রাত আটটার মধ্যে রাজধানীসহ সারা দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে সরকারকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে হোটেল, ফার্মেসি, জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকান এবং কাঁচাবাজার এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন জানান রাত আটটার মধ্যে দোকান ও শপিংমল বন্ধের যে খবর ছড়িয়েছে তা সঠিক নয়। এই প্রচার ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান সংগঠনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
মো. হেলাল উদ্দিন আরও জানান আগামী শনিবার দুপুরে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। দেশের বিভিন্ন জেলা সমিতির প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন। সভায় সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে জ্বালানি সাশ্রয় বিষয়ে একটি সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব বর্তমানে সব দেশেই পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা কীভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অবদান রাখতে পারেন সে বিষয়ে সরকার এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যৌথ আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
নতুন সংগঠনের ঘোষণার পরও বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দোকান এবং শপিংমল রাত দশটা পর্যন্ত খোলা থাকতে দেখা গেছে।
এনএন/ ২ এপ্রিল ২০২৬









