ঢাবিতে নববর্ষ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা, বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে সব অনুষ্ঠান

ঢাকা, ১ এপ্রিল – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নববর্ষ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি ও অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এবারের নববর্ষের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।
উপাচার্য নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদযাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব আয়োজনের লক্ষ্যে প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রশাসন অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশাকে আহ্বায়ক এবং চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখকে সদস্য সচিব করে একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কাজের জন্য কয়েকটি উপ কমিটিও গঠন করা হয়। সভায় জানানো হয়, নববর্ষ উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হবে।
এরপর এটি রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর এবং বাংলা একাডেমি ঘুরে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হবে। নববর্ষের সকল অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এদিন বিকেল ৫টার পর ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে, তবে বের হওয়া যাবে। নিরাপত্তার স্বার্থে নববর্ষের আগের দিন ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না।
নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে সব ধরনের যানবাহন এবং মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের মুখোশ পরা এবং ব্যাগ বহন করা যাবে না। তবে চারুকলা অনুষদ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করা যাবে। ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্যও বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে স্থাপন করে তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এস এম/ ১ এপ্রিল ২০২৬









