ড্রোন ও মিসাইল হামলার হুমকিতে কাতার ও ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা চুক্তি

কিয়েভ, ২৮ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ড্রোন ও মিসাইল হামলার ক্রমবর্ধমান হুমকির মধ্যে কাতার এবং ইউক্রেন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশ একে অপরের সঙ্গে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং যুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে।
চলতি সপ্তাহে উপসাগরীয় দেশগুলোতে আকস্মিক সফরে বের হয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর কাতারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটিকে তার সফরের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
চুক্তিতে ইউক্রেনের পক্ষে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আন্দ্রি নাটোভ এবং কাতারের পক্ষে তাদের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জসিম বিন মোহাম্মদ আল-মান্নাই স্বাক্ষর করেন। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক বিনিয়োগের নতুন পথ উন্মোচিত হলো।
গত এক মাসে ইরানের সঙ্গে শুরু হওয়া উত্তেজনার জেরে যেসব দেশ হামলার শিকার হয়েছে, তাদেরকে নিজেদের ড্রোন ও মিসাইল প্রতিরক্ষা অভিজ্ঞতা দিয়ে সহায়তা করতে আগ্রহী ইউক্রেন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে ইউক্রেনের এমন মিত্র প্রয়োজন, যাদের আর্থিক সক্ষমতা এবং সামরিক রসদ সরবরাহের বিশাল সামর্থ্য রয়েছে।
বিশেষ করে বর্তমানে যখন আমেরিকার মনোযোগ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বেশি নিবদ্ধ, তখন কাতার বা সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর সমর্থন কিয়েভের জন্য অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এনএন/ ২৮ মার্চ ২০২৬









