যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বিএনপি-জামায়াতের সম্মতি ছিল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ মার্চ – যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্মতি ছিল বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বুধবার (৪ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ বা বাণিজ্য প্রতিনিধিরা দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন এবং এতে তাদের সম্মতি ছিল। বিষয়টি অন্ধকারে রেখে করা হয়নি এবং চুক্তিটি মাত্র তিন দিন আগে শেষ হয়েছে, এমন ধারণাও সঠিক নয়।
চুক্তি প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছায়। রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পারস্পরিক শুল্ক আরোপের বিষয়টি সম্ভবত এপ্রিল মাসে আসে এবং এরপর জুলাই পর্যন্ত টানা আলোচনা চলে।
ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, এ ধরনের আলোচনা শুধু বাংলাদেশের সঙ্গে নয়, আরও অনেক দেশের সঙ্গেই হয়েছে। আলোচনার পর বাংলাদেশ ২০ শতাংশ সুবিধা পেয়েছিল এবং সে সময় চুক্তির বিষয়ে একধরণের সমঝোতা হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বা সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শূন্য শতাংশ পাল্টা শুল্ক সুবিধা এবং রুলস অব অরিজিন সংক্রান্ত বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লেগেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের জানিয়েছিলাম যে আমেরিকান কটন বা ম্যানমেড ফাইবার দিয়ে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে আমরা জিরো রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাই। এটি আমাদের স্বার্থেই করা হয়েছে। ৩১ জুলাই চুক্তি করে রাখা হয়েছিল এবং ১ তারিখে ২০ শতাংশ সুবিধা পাওয়া গিয়েছিল। ফলে নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে তড়িঘড়ি করে এটি করা হয়েছে, এমন তথ্য সঠিক নয়।
এনএন/ ৪ মার্চ ২০২৬









