চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের নির্দেশ

চট্টগ্রাম বন্দর, ৬ ফেব্রুয়ারি – চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে জড়িত ১৫ জন কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি ও তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়।
এছাড়া বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থাকেও (এনএসআই) চিঠি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ১৫ জন কর্মচারীকে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২ ফেব্রুয়ারি মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছিল। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এসব কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির, শ্রমিক দল নেতা মো. ইব্রাহিম খোকন, মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী। চট্টগ্রাম বন্দরের চিফ পারসোনেল অফিসার নাসির উদ্দিন বন্দর সচিবের সই করা চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, এনসিটি ইজারার প্রতিবাদে গত শনিবার থেকে কর্মবিরতি পালন করে আসছিল সংগ্রাম পরিষদ। তবে বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর দুদিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
এসএএস/ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









