ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি প্রত্যাশা করে না বাংলাদেশ সরকার

ঢাকা, ২২ জানুয়ারি – ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি নিয়ে আবারও দেশটির সরকারকে বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
বিবিসি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, ভারতের অবস্থান থেকে শেখ হাসিনার কোনো বিবৃতি দেওয়ার প্রত্যাশা বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার রাখে না।
সাক্ষাতকারে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েনসহ বিভিন্ন বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, কিছু ভুল বোঝাবুঝি বা অস্বস্তি থাকলেও ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশ-ভারত সুসম্পর্ক বজায় রাখা দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরই মূলত বড় ধরনের টানাপোড়েন দেখা দেয় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে। সংখ্যালঘু নির্যাতন, সীমান্ত উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি কূটনীতিক তলবের মতো ঘটনাও ঘটে।
সবশেষ ভারতের হাইকমিশন ও সহকারী হাইকমিশনগুলোতে দায়িত্বরত কূটনীতিক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে তৌহিদ হোসেন বিবিসি ইন্ডিয়াকে সাক্ষাতকার দেন। ১০ মিনিটের ওই সাক্ষাতকারে দিল্লিতে শেখ হাসিনার অবস্থান, জাতীয় নির্বাচন, ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচিত হয়।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারতের অবস্থান থেকে শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বিবৃতি দেওয়া প্রত্যাশিত নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন তৎপরতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য ভালো উদাহরণ হবে না বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।
এছাড়া, সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত পদক্ষেপ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশী অন্তর্বর্তী সরকার। তৌহিদ হোসেন বলেন, ভারতের সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে বাংলাদেশ কখনোই কথা বলে না, বাংলাদেশের বিষয়েও ভারত সরকারের একই নীতি মেনে চলা উচিত।
এনএন/ ২২ জানুয়ারি ২০২৬









