হুতিদের ৩৬ স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের ভয়াবহ হামলা

সানা, ০৪ ফেব্রুয়ারি – ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি বিদ্রোহীদের ৩৬টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইয়েমেনের ১৩টি এলাকায় ইরানপন্থি এই গোষ্ঠীর স্থাপনা নিশানা করে এ হামলা চালিয়েছে দেশ দুটি। এ নিয়ে জর্ডানে ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার জবাবে দ্বিতীয়বারের মতো ইরানপন্থি গোষ্ঠীদের ওপর হামলা হলো। খবর রয়টার্সের।
এক বিবৃতিতে পেন্টাগন জানিয়েছে, শনিবার রাতে হুতিদের ভূগর্ভস্থ অস্ত্র মজুদকেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা, লঞ্চার ও অন্যান্য স্থাপনায় হামলা করা হয়েছে। এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করে হুতি যোদ্ধরা লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছিল।
গাজা যুদ্ধ ঘিরে গত অক্টোবর থেকে মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত। এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে ইঙ্গ-মার্কিন হামলায় এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা আরও বাড়ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন, এই সম্মিলিত পদক্ষেপ হুতিদের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা দেবে; তা হলো তারা যদি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ ও নৌযানের ওপর অবৈধ আক্রমণ বন্ধ না করে তাহলে তাদের আরও পরিণতি ভোগ করতে হবে।
এর আগে শুক্রবার ইরাক ও সিরিয়ায় ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় দুই দেশে প্রায় ৪০ জনের মানুষ নিহত হয়েছেন। গত মাসে জর্ডানের একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিন সেনা নিহত হওয়ার জবাবে এই পাল্টা হামলা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, সমন্বিত এসব হামলা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্স ও সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চালানো হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে হামলা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
গত ২৮ জানুয়ারি জর্ডানের একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিন সেনা নিহত হয়। আহত হয় আরও ৪১ সেনা। গত ৭ অক্টোবর গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবারের মতো কোনো মার্কিন সেনা প্রাণ হারান। এই হামলার জন্য ইরানপন্থি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করে আসছে বাইডেন প্রশাসন।
সূত্র: কালবেলা
আইএ/ ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪









