Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English

অভিসার

অভিসার
অদৃশ্য আঁধার এলে ভাঙ্গে নীরবতা শতকরা হারে বাড়ে দোহদ তন্ত্র। হাত দিয়ে ছোঁব, কাঁপে মিনতি, গলে যায় শ্লেষ আর্দ্রতা। হে পুরুষ ভুলে যাও দূরত্বের খেলা, কষানি উষ্ণতা সব তোমার জন্য গালিচার মতো রঞ্জক ওষ্ঠ! দেখ এখানেও রাতের মতো ওড়ে দিনের প্রজাপতি। ব্লাড ব্যাঙ্কে জমা পাঁচ লিটার দহন, ষোলআনা ঘন নিঃশ্বাস, বিশ্বাস এপিঠ ওপিঠ কিছুই সাম্যবাদী নয়। সবটাই রঙিন চাদরে মোড়া প্রথমে পুরুষ তারপর ভঙ্গুর  হবে, জড়াবে লতায় পাতায় ইচ্ছে মতো লিখবে কবিতার খাতা। সভ্যতা যেমনটি বলে এসেছে এক বিঘা জমির সাথে খেলা করে অবুঝ বৃক্ষের ছায়া।

তানভীর আলম সজীবের কবিতা

তানভীর আলম সজীবের কবিতা
দেশের মায়া ছেড়ে আমরা  এসেছি ভিন দেশে দেশের সাথেই বেঁধে রাখে এই 'দেশে বিদেশে' দেশের আলো, দেশের হাওয়া দেশের রাজনীতি দেশের যত দুঃখ ব্যথা ভালবাসা সম্প্রীতি। সবার সাথেই আছে তারা  দেশকে ভালবেসে। নতুন যত সম্ভাবনা নতুন প্রযুক্তি দেশে বিদেশে এগিয়ে যাচ্ছে তাতেই মুক্তি। আমরাও এর সাথেই আছি  দেশকে ভালবেসে।

কালো কবুতর

কালো কবুতর
বৃষ্টির মতো সাদা ধান খেয়ে  উড়ে গেল কালো কবুতর বাচ্চারা উঠোন জুড়ে খেলছে তাদের মায়েরা আজ ঘর ছেড়ে বেরোতে পারছে না  আবহাওয়া যথার্থ অনুকূলে নয় আজ  তাদের মায়েরা আজ ঘুমিয়ে নিতে পারছে প্রতিকূল বাতাসে তারা জেগে ছিল বলে  আরো দীর্ঘক্ষণই ঘুমোনোর প্রয়োজন হতে পারে বাচ্চারা উঠোন জুড়ে হাগছে, মুতছে আর বৃষ্টির মতো সাদা ধানগুলো  ক্রমে তারা ফুরিয়ে যেতে দেখছে দীর্ঘক্ষণ প্রতিকূল…

ছবিটা বিক্রি করব

ছবিটা বিক্রি করব
দ্যাখো, এই ছবিটা আরও একবার দ্যাখো না, আমি      ভুল করে আঁকি নি দ্যাখো,  এখানে পাষাণপ্রতিমা হয়ে তুমি               ঢুকে যাচ্ছো কারো গর্ভে,          হাত-পা গুটিয়ে নিচ্ছো তুমি,       বন্ধ করে ফেলছো চোখ... তবুও দ্যাখো,  আমার আঙুলের ছায়া আমার ছেনি ও হাতুড়ি,  আমার তৃষ্ণা ও অনিদ্রা            …

অতএব রোমান্টিক

অতএব রোমান্টিক
বায়রনঃ  চপ্ স্টিকে গেঁথে ফেলি বাসনার ঘুণগান নিভন্ত অশ্রু দীর্ঘছায়া,  রকমারী যাপনের অবভাসে দাঁড় টেনে শব্দের অপর পারে কায়া। কীটস্ঃ  ভীরু আসকারা খুঁটে তেপায়া তুলনা চুপ প্রাণে মৃত্যু আজানু উপুড়, সাপেক্ষ ইশারাকুচি পরাকাব্য আঙিনায়  কৃদন্ত মোক্ষণে নেশাতুর। শেলীঃ  ডুবেছি ব্যক্তি-স্রোতে  কলসে চুরমার…

বোশেখি

বোশেখি
১ আজ বৈশাখপাতায় এক প্রকাণ্ড নীল তিমি। শিলাবৃষ্টির হালকা মীড় ওর নাক হয়ে কুয়াশার ফোয়ারা। তুমি ভাবছ জুলফির ধার দিয়ে মুক্তোদানা ঘাম গড়িয়ে পড়বে, আমি তখন পাহাড় ছুঁয়ে কুয়াশা ছুঁয়ে তিমি ছুঁয়ে সকালের আড়মোড়ায় দেখছি বৈশাখ কখন আমার বাগানের ফরেস্টার হয়ে গেছে। ২ তোমার ডাকবাংলো আজো যেন পাণ্ডুলিপি হয়ে পড়ে আছে। আমি রোজ…

সৃষ্টিসুখের উল্লাসে

সৃষ্টিসুখের উল্লাসে
আমি কিছু লিখি তখনই  যখন কোন সাঁতারু কোন নদীতে কাটে সাঁতার, দেয় ডুব পানকৌটির, করে খেলা অবহেলায় --- আমি কিছু লিখি তখনই যখন চাষী ভূমিরূপ দেয়, বীজ বোনে, ফসল তোলে গায় আনন্দে গান ---  আমি কিছু লিখি তখনই যখন কোন শিল্পী ছবি আঁকে উল্কিরূপে মসৃণ ক্যানভাসে নানাভাবে দশ আঙুলে --- তখন কবিতা আমার সম্ভোগের তৃপ্তি আনে মন ভাসায়…

যেসব ভোরের জন্য

যেসব ভোরের জন্য
যেসব ভোরের জন্য প্রকৃতির সম্মিলিত প্রয়াস যে সমন্বিত প্রস্ত্ততি - বাতাস ও আকাশের স্বাগতিক উচ্চারণে কচি আমন চারার দুহাত তুলে নাচের মুদ্রা, বহমান নদীর পাড়ে পাড়ে বোহেমিয়া পাখিদের নীল ব্যবহার ঘরোয়া আলাপ সেরে বয়ে চলা নদীর সংলাপ; শাপলা ফোটা প্রসারিত জলাশয়ে পাটভাঙা নীলিমার লালাভ অাঁচল ছুঁইয়ে এক মহিমান্বিত উদয়ের…

দাগ

দাগ
এখনো দাগ লেগে আছে যন্ত্রণার অপুষ্ট শরীরে দীর্ঘ সময়ের আধার ঘসে ব্যথারা সোহাগ স্পর্শ খোঁজে ভিখিরি প্রেম; পিঠ ঠেকা দেওয়ালের যাপনে ... কবে কার রেখে দেওয়া দিনানিপাতের আড়াল থেকে হা-হা মরমিয়া মন বৃষ্টিপাতের শব্দ শোনে – জটলা বাঁধায় – প্রতিরাতের স্বপ্নের হাত ধরে আর রাত জাগা শিহরে পাখার হাওয়ায় ফরফর ওড়ে ‘যারা বৃষ্টিতে…

আমার প্রেমিক

আমার প্রেমিক
প্রাত্যহিক সুখ ছেঁচে তুলে আনা যন্ত্রনা- আমার প্রেমিক। শৈশবে লুকিয়ে রেখেছি ওকে অঙ্ক খাতার চোরা ভাঁজে, পড়তে বসার পরে আড় চোখে দেখে নেওয়া সচেতন মা-কে। প্রথম যৌবন-দিনে শরতের শবনমী সকালগুলোতে পূজোর গন্ধভরা প্যান্ডেল -পিছনে সদ্য ফোটা দু-বুকের খাঁজে, মধ্য বয়েসে এসে সে আমার পরকিয়া- নিজস্ব আঙ্গিকে। ওকে নিয়ে অশান্তি-পারদ…

মনের আরেকটা লহরী

মনের আরেকটা লহরী
নিস্তব্ধতা যখন গুমরে গুমরে কাঁদে পাগল মনটা আনমনা হয়ে রাঁধে-  নানান রকম মশলা থাকে তাতে  আহা! কেমন সাজে খাতার পাতে।  সান্ধ্য গাউনের ঝোলা সূতোগুলো  বিছিয়ে দেয় মেঝের যত ধূলো  ভুলতে চায় সেই একলাপানা মন ? আনকোড়া সব খাতার পাতা নষ্ট করে  পেনের কালি ছন্দে ভরে বিজলি চালে  লিখে চলে-  কাঁপা কাঁপা গাছের পাতায়…

কেন লিখি…

কেন লিখি…
কেন লিখি জানতে চাইলে আস্তিন ছেড়ে বেরিয়ে আসে আমার সাহস বুকের কোণায় গুমরে ওঠে প্রতিবাদ, আর আর্তনাদ করে ওঠে কলমের বিদ্রোহ, আমি হাত দিয়ে জড়ো করে আনি অস্থির পিণ্ড- সংগ্রামের ভ্রূণ… গণ-কবরের গর্ভ থেকে- খামচে ধরে অতীতের বিবর্ণ কঙ্কাল, তাড়া করে বেড়ায় স্মৃতিদের সন্ত্রাস পাঁচিলের আড়াল থেকে, আগুন জ্বালাতে চায় পাপের…

‹ শুরু  < 10 11 12 13 14 > 
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে