Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

শোক পাখি

শোক পাখি
শালিক পাখিটা উড়বে বলে একটা স্মৃতির পালক ফেলে, স্নিগ্ধ আর মাতাল হাওয়ায় উড়ছিলো শুধু পাখনা মেলে। কী অপূর্ব! কী যে সুন্দর এই ভূগোলক রাতে নীড়ে বসে ঘুম পাড়াতো শুনিয়ে শত হাজারো শ্লোক; তাতে এই আসমানের কথাও থাকত উঁচু থেকে পৃথিবীটা যেন আস্ত একটা পাখির বাসা সেখানে কেউ কেউ অপেক্ষা করত। মা শালিক কি তা জানত না! 'আমরা কেউই স্বাধীন নই। এমনকি আকাশও পাখিদের আটকে রেখেছে।' শালিক পাখির ডানা জোড়াও কাটা এ যে কী ভীষণ যন্ত্রণা... এই সিনারি কি কেউ আগে কখনো দেখেছে? পাখিটা ফিরবে বলে রেখে গিয়েছিল সহস্র স্মৃতির পালক আকাশে মৃত্যুর মিছিলে রেখে, ভাবালে- কে, কবে, কোথায় কী ছিলে ও কি ও ছানা-বুড়ো, বালিকা-বালক... মৃত্যু- আমাদেরকে দূরে ঠেলে দেওয়ার বদলে আপন করে নেয়। আপন বলে হৃদয়কে কাঁপিয়ে দেয়।

দৃষ্টির সীমানায়

দৃষ্টির সীমানায়
সুখের সন্ধানে পড়িয়া রহিনু অনলে পুড়ে দগ্ধ আমি আশঙ্কা চিত্তে পিছনে তাকাই শুধুই হাহাকার, যন্ত্রণা বর্তমান নিয়েই থাকি না! মন যে মানে না, মনের ব্যাকুলতা বোঝে না? কীসের প্রেম? কীসের ভালোবাসা? কীসের এতো মায়া? জবাব কী মিলবে না? যেখানে আগমনই ভুল কীসের এতো অনুশোচনা? যদি কিছু ফেলে দাও পিছনে ফের তা খোঁজা শোভা পায় না। সূত্র: ঢাকাটাইমস

জ্যামিতিক অঙ্ক

জ্যামিতিক অঙ্ক
কখনো বৃষ্টিশূন্য শ্রাবণ আসে সূর্যের দহনে পুড়িয়ে মন-প্রাণ স্বপ্নের সীমানার পাসপোর্টে সিল মারে প্রবেশ নিষেধ! হায়! স্বপ্ন মানে না তোমাদের সীমান্ত প্রাচীর; আকাশ জলের মিতালিতে প্রসন্ন প্রহর মেঘের গর্ভে বেড়ে ওঠে জলের আধার প্রসব কান্নায় হেসে খুন উষ্ণ বাতাস। প্রতিদিন ভেঙে পড়ে স্বপ্ন-বসতি কড়কড়ে রোদ প্লাবনে শক্তিহীন দেহ ফেরার পথ খোঁজে পলির ভাঁজে আশার ঝিলিকে উঁকি দেয় নয়া পদচিহ্ন। হায়! মানব…

অপরাজিতা মেয়ে

অপরাজিতা মেয়ে
বাপের ঘরের আদরিনী মেয়ে, হেসে খেলে বাড়ল দিনে দিনে। রুপটি যে তার ছিল পরীর মত গুনে তার মুগ্ধ জনে জনে। পাহাড় সে ডিঙায়নি কখনো, আকাশ তবু ছিল তারই মত, সাতটি পাকে পড়ল যখন বাঁধা, রঙিন জালে দেখল কাটা শত। দিগন্ত যে হারিয়ে গেল কোথা, চার দেয়ালে গন্ডি হল আঁকা, জীবন মাঝে জীবন খুঁজে দেখে চারিদিকেই ফাঁকা,শুধু ফাঁকা। বাপকে ছেড়ে…

ওপার-এপার  

ওপার-এপার

 
ময়-মুরুব্বিরা বলতেন বালাই ষাট; সেই ষাটের উলটোদিকে দাঁড়িয়ে তোমার ঝলমলে ডালপালাগুলো দেখি, পাতা আর ছায়াগুলো দেখতে-দেখতে বাইরে যাই। দেখি জারুলের বেগুনিময় ফুলের আলো। বালাই ষাট। মাঝে মাঝে আলো আর বাতাসের কাছ থেকেও দূরে সরে থাকি। এদিক-সেদিক যাই, তোমার ছায়া নিয়ে নিজের ছায়ায় ফিরতে চাই। হেনা, তুমি ষাটের ঘাটে ফুটে-ওঠা…

করি চন্দ্রস্নান এসো

করি চন্দ্রস্নান এসো
অবগুন্ঠন খোলো! অবারিত জোসনা জলে শরৎ রাতে  করি চন্দ্রস্নান, এসো। ছতিছন্ন কবি আজ তোমার কোলে মাথা রাখবে অক্ষয় প্রেম সাধনায়  না করবে? থাকতে নেই এত লাজ! দেখো, উথাল পাথাল নদীর জলে-  জহুরা চন্দ্রবতীর দুরন্তপনা! বদ নসিব! এমন রাতে কি বলবে তারা  যদি না দাও সাড়া! একটু বোঝনা! হুট করে হেসে দিলে  এ রাতে মনে এ কেমন হানা?…

সে

সে
সে মানে মোমশিখার একবিন্দু কালো  কামারশালার হাপরের তলে কনকরঙা ইস্পাত ফাল্গুনের বিরহী শাখায় মুকুলের মুখ পোড়োবাড়িতে বিষণ পাল শাসনামলের গল্প তপ্ত ফুটপাতে ঘরহারা মানুষের আর্ত পদপাত পাথরে নকশা খোদাইরত শরীর ঘেমো মজুরের  সে মানে বাঘের ঘরে দৌড়ক্লান্ত হরিণীর দৃষ্টিপাত ক্ষণিকের…

এই  শহরটা

এই  শহরটা
এই শহরটা অকারণে বেদম হাসতে জানে  হঠাৎ বোশেখে ঝড়ের বেগে চুল এলিয়ে নাচতে জানে  চোখের মাঝে আকাশ নিয়ে বন্ধ চোখে হাঁটতে জানে মনের মধ্যে জমানো বিকেল একটু টোকায় সন্ধ্যা নামে এই শহরটা হাতের মুঠোয় ঘুম জমিয়ে রাত্তির জাগে পায়ের নিচের ইটের নদী, নৌকোসহ ডুবতে জানে  এই শহরটা একটা মেঘেই হাজার তারা ঢাকতে জানে  কাকের…

তোর চোখে লূকানো কষ্ট

তোর চোখে লূকানো কষ্ট
নিষ্ঠুর বৈশাখ, তোর উঠোন কোণের রুক্ষ কলের মুখ চোঁয়া জলে জিব ভেজা। ডোবার জলে জাগে ঘরছাড়া কাঠ ব্যাঙ, আর, গান গায় আমার হারানো সুরে । খোলা জানালার ফাঁকে হাওয়ায় দোলা কেশ দেয় উঁকি, তোর শুষ্ক সিঁথিতে দুটো সাদা চুল বলে অতীত। হাতের বাঁকা চুড়ি দুটো একাকীত্ব্য'র সুরে কাঁদে, চোখের নিচের কালিতে কান্না লুকায়ে রাখিস যতনে।…

তোমার চোখ এতো লাল কেন?

তোমার চোখ এতো লাল কেন?
আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক, শুধু ঘরের ভেতর থেকে দরজা খুলে দেবার জন্য। বাইরে থেকে দরজা খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত। আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই কেউ আমাকে খেতে দিক। আমি হাত পাখা নিয়ে কাউকে আমার পাশে বসে থাকতে বলছি না। আমি জানি এই ইলেকট্রিকের যুগ নারীকে মুক্তি দিয়েছে…

তোমার মৃত্যুহীন নামের নিশান

তোমার মৃত্যুহীন নামের নিশান
তোমার সৌম্য শির কতটা উন্নত ছিল? —মাপতে গেলেই হারিয়ে ফেলি খেই। তোমার ও-বুকের পাটা কতটা প্রশস্ত ছিল? —মাপতে গেলেই হারিয়ে ফেলি খেই। তোমার স্বপ্নিল দৃষ্টি কতটা গভীর ছিল? —ভাবতে পারি না। ভাবতে গেলেই হারিয়ে ফেলি খেই। তোমার সাহসের শিখা কতটা উজ্জ্বল ছিল? —ভাবতে গেলেই হারিয়ে ফেলি খেই। তোমার পদবিক্ষেপ কতটা…

আরাধনা

আরাধনা
জীবন কেন এমন- কখনো সে বিষাদ সিন্ধু, কখনো ফুটা ফুলের কানন। হাজার মুখের ভিড়ে-   জীবনের বাঁকে বাঁকে- কোন সুখ সে খুঁজে ফিরে!                                        শুধুই নিজেকে উজাড় করে                                   যে সুখ তারে মরীচিকার মত,                             …

 < 1 2 3 4 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে