Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০ , ১৭ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.8/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১০-১৭-২০১২

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম ভাঙলো দু’বছর পর


	বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম ভাঙলো দু’বছর পর

সোনালী ব্যাংকে হলমার্কের ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম দুই বছর পর ভেঙেছে  বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালেই হলমার্কের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক জেনেছিল। ২০১১ সালে তারা কিছুই করেনি। ২০১২ সালে তারা জেগে উঠলো। এ ঘটনাই স্পষ্ট করে, তাদের সামর্থ্যের অভাব রয়েছে, এটা স্বীকার করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনও পরিপক্ব হয়নি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। শুধু পর্ষদটা আমরা গঠন করে দিই। এর আগে হলমার্কসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে সমপ্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক নিরীক্ষায় বেরিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত অবৈধভাবে ৩ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা সরিয়ে নেয় হলমার্ক গ্রুপ, নকশি নিট কম্পোজিট, খান জাহান আলী স্যুয়েটার্স এবং ডিএন স্পোর্টস সহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে হলমার্ক গ্রুপ একাই সরিয়েছে ২৬০০ কোটি টাকা। সাংবাদিকদের কাছে সমপ্রতি জাপানে বিশ্বব্যাংকের সাধারণ সভায় যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে তা নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলেই পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে। অর্থমন্ত্রী বলেন, দুদক মামলা করার জন্য প্রস্তুত। বিশ্বব্যাংককে তারা এ কথা জানিয়েছে। বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ লাগতে পারে। তিনি বলেন, আমরা চেয়েছি পদ্মা সেতু প্রকল্পের তদন্ত ও বাস্তবায়ন একসঙ্গে চলতে। কিন্তু একসঙ্গে চলবে কিনা- এ ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নই আমি। বিশ্বব্যাংকের দ্বিতীয় দলটি ঢাকায় এলে এ বিষয়টি জানা যাবে। অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সমপ্রসারিত ঋণ সুবিধার (ইসিএফ) আওতায় এক বিলিয়ন ডলার ঋণের প্রথম কিস্তি ছাড়ের পর এখন দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। আমি মনে করছি, নভেম্বরের মধ্যে আইএমএফ দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ছাড় দেবে। অর্থমন্ত্রী জানান, আইএমএফের সঙ্গে তিনটি বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এগুলো হলো- ভ্যাট আইন পরিবর্তন, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ। তিনি বলেন, ভ্যাট আইন নিয়ে আপত্তি নেই, এটা সমাধান হবে। পুঁজিবাজারে তারা (আইএমএফ) ব্যাংকের বিনিয়োগের বিষয়ে বলেছে। ব্যাংকের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ সীমিত রাখতে হবে। আমরা এটা ৪০ শতাংশ করতে বলেছি। অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে। এখন মূলধনের ২৫ শতাংশ ওই তুলনায় অনেক কম হয়ে যায়। তাই আমরা ৪০ শতাংশ করতে বলেছি। পরে তা পর্যায়ক্রমে ৩০ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা যাবে।
 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে