Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.3/5 (22 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১০-১৭-২০১২

‘দিস ইজ মাই মানি’


	‘দিস ইজ মাই মানি’

মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ও ডেসটিনি প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদের জামিনের জন্য আপিল শুনানিতে তার আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু বলেন, “যে ১৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল সে টাকা ডেসটিনির নয়,  সেই টাকা হারুন অর রশিদের নিজস্ব টাকা।”
তিনি বলেন, “দিস ইজ নট স্টোলেন মানি, দিস ইজ মাই (হারুন অর রশিদ) মানি।”
জবাবে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা বলেন, “উনাদের (হারুন অর রশিদ) আপিল আবেদনেই আছে এ টাকা ডেসটিনি থেকে নেওয়া।”
বুধবার বিকালে এ বিষয়ে বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার আদেশের দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত সোমবার আদালতে অ্যতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা বলেছিলেন, “ডেসটিনির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে ১৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর মধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে ১৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা এবং স্থিতি আছে ৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। তাহলে ১৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা কোথায় গেলো?। এটা তো ডেসটিনির টাকা। এ টাকা তো তার অ্যাকাউন্টে আসার কথা নয়।”
বুধবারের শুনানিতে আব্দুল মতিন খসরু বলেন, “এ টাকাগুলো কোনো গোপন টাকা নয়। এটা জেনারেল হারুনের সারা জীবনের অর্জিত সঞ্চয়। বেতন-ভাতা, ফিক্সড ডিপোজিট, জাতিসংঘ শান্তি মিশন থেকে আয় ও জমি বেচার টাকা। এ টাকাগুলোর আয়কর দেওয়া হয়েছে।”
মুরাদ রেজা বলেন, “তার টাকা, তা বলার কোনো সুযোগ নেই। এ টাকাগুলো ডেসটিনি গ্রুপের অ্যাকাউন্ট থেকে আসা।”
এসময় আদালত বলেন, “এ বিষয়ে আপনাদের অভিযোগ ভাসা ভাসা।”
জবাবে মুরাদ রেজা বলেন, “মামলার এফআইআরে টাকার অংকগুলো দেওয়া আছে। তবে মামলার চার্জশিটে বিস্তারিত ব্যাখ্যা থাকবে।”
দুদকের দায়ের করা দুই মামলায় গত ১১ অক্টোবর ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ডেসটিনির শীর্ষ ২২ কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দেওয়া জামিন বাতিল করেছিলেন একই আদালত।
এ আদেশে বিরুদ্ধে লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদ রোববার হাইকোর্টে আপিল করেন।
উল্লেখ্য, দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম গত ৩১ জুলাই মামলা দুটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কিন্তু বর্তমানে তাদের পৃথক দুটি অ্যাকাউন্টে ৫৬ লাখ ও ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আছে। বাকি তিন হাজার ২৮৫ কোটি টাকা তারা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে