Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (24 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৩-২০১২

মিডিয়ায় গণমানুষের কণ্ঠস্বর ও সুবিধাবাদীদের ভয়ানক চেহারা

ফকির ইলিয়াস



	মিডিয়ায় গণমানুষের কণ্ঠস্বর ও সুবিধাবাদীদের ভয়ানক চেহারা

কখনো কখনো মনে হয় আর কলাম লিখে কী হবে? অনেক লেখাই প্রতিদিন বাংলা সংবাদ মাধ্যমে বের হয়। কে পড়ে! যাদের উদ্দেশে লেখা হয় তারা কী পড়েন? যদি পড়তেন তবে তো এদেশের চেহারাটা অনেক ভালো হতো। ‘যদি তারা দেয়াল পড়তেন!’ এমন একটা কথা আমরা প্রায়ই বলি। কথা হচ্ছে, রাজনীতিকরা কেন দেয়াল পড়বেন! তাদের পড়ার কথা বই। পত্র-পত্রিকা। না, ইউরোপ আমেরিকায় দেয়াল লিখন নেই। এটাকে বলে- ভ্যানডালিজম। এক ধরনের সামাজিক অপরাধ। সেদিন আমাদের লোকাল স্টেট সিনেটরকে দেখলাম, তিনি ঘোষণা দিয়ে দেয়াল মুছার কাজগুলো করছেন সদলবলে। যারা দেয়ালে নানা রকম ছবি আঁকে রাত্রি-নিশিতে তাদেরকে পুলিশ পেলে পাকড়াও করে। কারণ এরা পরিবেশ দূষণ করছে। অন্যের বাড়ির দেয়ালে আঁকিবুকি করছে।
না, আমাদের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বড় বড় মিছিল মিটিং করছেন না। টিভিতে একটা ডিবেট তার হয়েছে মিট রমনির সঙ্গে। বলা হচ্ছে, ওবামা ভালো করতে পারেননি। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন- তিনি কাটিয়ে উঠবেন। জয় ওবামার ঘরে উঠবেই। হাঁ, আমি একজন রেজিস্টার্ড ডেমোক্র্যাট। আমিও চাই, ওবামা আবার পাস করে আসুন। কারণ আমরা কোনো রক্তপাত চাই না। ভোটের হাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনেও। কাগজে দেখলাম, শেখ হাসিনা বলেছেন, আল্লাহর রহমতে আওয়ামী লীগ ফের ক্ষমতায় আসবে। তবে এই মন্ত্রিসভা থাকবে না। মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন বলে একাধিক মন্ত্রী জানান। তাহলে দেখা যাচ্ছে, তিনি ক্ষমতার ব্যাপারে আশাবাদী। তার এই আশার পেছনে তার যুক্তি নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু দেশের মানুষ কী ভাবছেন। কী বলছেন ! দেশের এখন প্রধান সমস্যা দুর্নীতি। এটা সকলের মুখে মুখে। সম্প্রতি দেশের বরেণ্য আইননজীবী ড. কামাল হোসেন একটি জাতীয় সাপ্তাহিকে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতির কথা এখন মানুষের মুখে মুখে। প্রতিটি স্তরে দুর্নীতি যেভাবে ঢুকে গেছে তা থেকে রক্ষা পেতে আমরা অনেক আগে থেকেই আন্দোলন করে আসছি। এ আন্দোলন আমরা ধারাবাহিকভাবে করে আসছি। দুর্নীতিমুক্ত সমাজের প্রত্যাশায় সবাই প্রহর গুনছি। কারণ, দুর্নীতি সমাজের সমস্ত কাঠামোকে দুর্বল করে দেয়। দলমত-নির্বিশেষে সকলেই দুর্নীতির বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে কথা বলে। সকল সচেতন নাগরিকই এ ব্যাপারে সজাগ। এরপরেও দুর্নীতি বেড়েই চলছে।
দুর্নীতি কেবল রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করে না, এতে মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ হয়। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে মানুষের যে প্রাপ্তি থাকে তা থেকে বঞ্চিত হয়। মানুষের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। সর্বোপরি রাষ্ট্রের সব উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। দুর্নীতি কমবেশি সব দেশেই আছে। কিন্তু আমরা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। সরকারগুলোর শেষ সময়ে এই চিত্র আরো ভয়াবহ হয় এবং এটিকে বেশ বড় ইস্যু হিসেবে দেখানো হয়। মানুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরকারের বিপক্ষে সোচ্চার হয়। আমরা এখন তাই দেখতে পাচ্ছি। প্রতিনিয়ত মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ বড় বড় দুর্নীতির ঘটনা জানতে পারছে। মানুষের মনে এখন জিজ্ঞাসা, ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে সরকার কেন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না।’
সরকারের আত্মতুষ্টি নিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘সরকার তার ইমেজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। কিন্তু আসলে কি তাই? সরকার তার নিজের ব্যাপারে ধারণা পোষণ করে বিভিন্ন সংস্থা এবং বাইরের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে। এখন সেই রিপোর্টে সরকার সম্পর্কে ইতিবাচক না নেতিবাচক মন্তব্য করা হচ্ছে তা সরকারেরই জানার কথা। বিশ্বের গণমাধ্যমগুলোতে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তথ্যপ্রকাশ পাচ্ছে। অনেক পত্রিকাই উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। অনেক দেশেই আমাদের দূতাবাস আছে। তারাও রিপোর্ট করেন। এ থেকে তো সামগ্রিক একটা চিত্র পাওয়াই যায়।
ইন্টারনেটের যুগে মুহূর্তের মধ্যে যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। সুতরাং সরকার না চাইলেও বিশ্বের দরবারে নিজেদের ভাবমূর্তি নিয়ে জনগণ সহজেই ধারণা নিতে পারে। আবার সবসময় যে নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশ পাচ্ছে ব্যাপারটা তাও নয়। ইতিবাচকও তো প্রকাশ পায়। এর মধ্য থেকেই দেশের ইমেজ নিয়ে সরকার ভাবতে পারে। ইমেজ সংকটে পড়ে থাকলে এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই তা সংশোধন করা যেতে পারে বলে মনে করি। সমালোচনা হলে তা তুলে ধরা দরকার। সমালোচনা বেঠিক হলে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তারও জবাব দেয়া উচিত বলে মনে করি।’
ড. কামাল হোসেনের অনেক কথাই হয়তো সরকার পক্ষ মানবেন না। কিন্তু হলমার্কের তানভীর মাহমুদ গ্রেপ্তার হবার পর, কিংবা পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের ‘সামনে-পেছনে’ দেখার পর বুঝতে বাকি নেই, সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলছে না। যে ড. মশিউর রহমানকে ছুটিতে পাঠানো হলো, তিনি নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সংবর্ধনার সময় প্রথম সারিতেই ছিলেন। সফরসঙ্গীও হয়েছেন। বিশ্বব্যাংক কি সে খবর রাখছে না? হ্যাঁ, রেখেছে। দেশে আরেকটি হুলস্থুল চলছে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস-এর ড্রাইভারের বক্তব্য নিয়ে। ড্রাইভার আজম খান বলেছেনÑ ‘মেইন হচ্ছেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি প্রথমেই বলেছেন, রেলের কালো বিড়াল ধরা হবে। আমি দেখছিলাম যে তিনি নিজেই কালো বিড়াল বনে গেছেন। তিনি নিজেই বড় দুর্নীতিবাজ। সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ তো তিনিই। তিনি মন্ত্রী হয়ে একটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসেবে দুর্নীতি করলে দেশটা কিভাবে ভালো চলবে?’
আজম খানের দাবি, রেলের অর্থ দিয়েই সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ছেলে ব্যবসা করেন। তার ভাষায়, ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ছেলে সৌমেন সেনগুপ্তের টেলিকম ব্যবসার আলাপ আমার সামনেই হয়েছে। রেলের টাকা থেকে টাকাগুলো ওখানে দেয়া হয়েছে।’ শুধু মন্ত্রী হিসেবে নয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি থাকাকালেও নিয়োগ-বদলিসহ নানা দুর্নীতির সঙ্গে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত জড়িত ছিলেন বলে আজম খান দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে ফোন করে বলতেন, আমার এপিএসকে পাঠালাম। এই কয়েকটা কাজ ছিল। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পাঁচটা পাঠালে এপিএস আরো পাঁচটা দিয়ে দিতেন। সেখান থেকে ওমর ফারুক টাকা পেতেন।’ ওই টাকার ভাগ সুরঞ্জিতের কাছেও যেতো বলে তিনি দাবি করেন।
আমরা দেখছি, আওয়ামী লীগ ঐ বক্তব্য খন্ডন করেই যাচ্ছে। নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তও। তবে তিনি মিডিয়াকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর কথাটি বলেছেন। মিডিয়া তো সবসময় কাঠগড়ায়ই থাকে। কিছু সুবিধাবাদী সাংবাদিক ছাড়া, অন্য সকলেই ন্যায়ের পক্ষে থাকেন। এটা বাংলাদেশের চিত্র। যদি কোনো মিডিয়া সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে অন্যভাবে লেগে থাকে, তা হলে তিনি ব্যবস্থা নিতেই পারেন। তবে এপিএস-এর ড্রাইভারকে মুক্তভাবে কথা বলার সুযোগ দেয়া হোক।
মিডিয়া বিষয়ে ড. কামাল হোসেনের কিছু কথা প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আজকে অনেকেই কথায় কথায় মিডিয়ার সমালোচনা করছেন। কোনো কোনো মিডিয়ার ভুল থাকতেই পারে। কিন্তু সমালোচনা করার আগে আমাদের দেখতে হবে মিডিয়ার তরুণ কর্মীরা রাষ্ট্র পরিচালনায় কিভাবে সহায়তা করছে। সমাজের প্রতি তাদের যে অংশগ্রহণ তা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। আমি মনে করি, কোনো বিশেষ দলের জন্য নয়, দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে মিডিয়া আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। কারণ, জনগণের কাছে কোনো তথ্য গোপন থাকতে পারে না। সব কিছু তুলে ধরাই হচ্ছে জাতীয় স্বার্থ। আজকে যারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের সঙ্গে জড়িত তারা তো চাইবেই যে তথ্য গোপন থাক। কিন্তু এই গোপনীয়তা কি রক্ষা করা উচিত? তথ্য জানা তো জনগণের অধিকার।’
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি আমেরিকা সফর করে গেছেন। এসময় তিনি ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেছেন, তার সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। সন্ত্রাস দমনের ব্যাপারে তার দেশের অনড় অবস্থান রয়েছে। ভিওএ সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর যেমন আলোকপাত করেন, তেমনি সন্ত্রাস দমনে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্ত পোশাক রপ্তানির জন্য বাংলাদেশের অবস্থানটিও তুলে ধরেন। শেখ হাসিনা শান্তি প্রতিষ্ঠা বিষয়ক জাতিসংঘের সাম্প্রতিক ফোরাম প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে। শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের অবদান সর্বজনস্বীকৃত বিষয়। প্রসঙ্গত, তিনি আশা প্রকাশ করেন যে তিস্তার পানি বণ্টনসহ ভারতের সঙ্গে যে সব বিষয়ে নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলো বিষয়ে পারস্পরিক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি সম্ভব। তবে তিনি এ কথাও বলেন যে এরই মধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে মীমাংসা হয়েছে।
নির্বাচনে দেয়া তার প্রতিশ্রুতি পূরণের বিষয়ে শেখ হাসিনা তার সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন। দুর্নীতি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন যে দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন যে বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবার ক্ষমতাসীন মন্ত্রী এবং সরকারের উপদেষ্টাদেরও দুর্নীতি দমন কমিশনের সামনে হাজির হতে হয়েছে। সাংগঠনিক সন্ত্রাসের পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কথা হচ্ছে, মন্ত্রী-উপদেষ্টারা কেন আইনের আওতায় যেতে চাইবেন না? আর দুদক কি সরকারি দল ও বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে সমান আচরণ করছে তা নিয়ে ভিন্নমত তো রয়েছেই। এ বিষটির কিভাবে সুরাহা হবে?
এসব বিষয়ে দেশের মানুষের জাগরণ দরকার। মিডিয়ার মানুষের কণ্ঠস্বর আরো জোরালো হওয়া দরকার। বাস্তবতার দিকে তাকালে দেখা যাবে, বাংলাদেশের সাক্ষরতা সরকারি হিসাব মতো ধরলেও এখনো প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ নিরক্ষর। অথচ ২০১৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচন ও নিরক্ষরতা দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদি পিআরএসপি কৌশলপত্র বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ। অন্যদিকে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এসেছিল এ সরকার। এ লক্ষ্যে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এনরোলমেন্ট ১০০ ভাগ পূরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু তার সিকিভাগও পূরণ হতে দেখা যাচ্ছে না।
সাক্ষরতা একটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার সঙ্গে সাক্ষরতার আর সাক্ষরতার সঙ্গে উন্নয়নের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যে দেশের সাক্ষরতার হার যতো বেশি সে দেশ ততো উন্নত। বাংলাদেশে কি তবে পরিকল্পিতভাবে মানুষকে অধিকার বঞ্চিত রাখতে নিরক্ষর করে রাখা হচ্ছে? এমন অনেক কথাই বলা যায়। আসল কথা হচ্ছে, দেশ বসে নেই। মানুষ ভাবছে তাদের ভবিষ্যতের কথা। এদেশে তালুকি শাসন চলবে না একদিন। তাই সুবিধাবাদী যারা যারা বিদেশে টাকা পাচার করে নিজেদের আখের গোছাতে চাইছেন তারা বিদেশে এসে কাজকর্ম করেই দেখুন এখানের জীবন কতো কষ্টের। সাধারণ মানুষের ভাগ্য লুট করে টিকে থাকা যাবে না। নিউজ মিডিয়া ছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া এখন মানুষকে সজাগ করে দিচ্ছে। তা লুটপাটকারীদের জন্য অবশ্যই শুভ সংবাদ নয়।
 

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে