Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৯ , ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.8/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৭-২০১২

রুখে দাঁড়াবার এখনই সময়


	রুখে দাঁড়াবার এখনই সময়

সরকারের অত্যাচার দুর্নীতি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার এখনই সময়। ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন দিয়ে আবার ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তারা। দুঃশাসনে অতিষ্ঠ মানুষের সামনে আজ তাই আন্দোলনের বিকল্প নেই। গতকাল হবিগঞ্জের নিউফিল্ডে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আরও বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি মানা না হলে এ সরকারকে রুখবার আন্দোলন শুরু হবে। বাধা দিলে পরিণতি হবে কঠিন ও ভয়াবহ। সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্বচোর আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বচোর আর বিশ্ববেহায়া এক হয়ে দেশ থেকে গণতন্ত্র হরণ করতে চাইছে। তাই আজ সারাদেশে একটিই স্লোগান- ‘সারাদেশে একই সুর আওয়ামী লীগ বিশ্বচোর।’ বিরোধী নেতা ছাত্রলীগ-যুবলীগকে জঙ্গি আখ্যায়িত করে বলেন, জঙ্গিদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সম্পর্ক আছে। সেটা তাদের অস্ত্র দেখলেই বোঝা যায়। তারাই মূল জঙ্গি অথচ অন্যদের ওপর দোষ চাপাতে চায়। খালেদা জিয়া গতকাল সকাল ১১টায় গাড়িবহর নিয়ে হবিগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ মো. ফয়সলের বাড়িতে ক্ষণকাল বিশ্রাম নিয়ে সোজা শহরের নিউফিল্ড মাঠের জনসভায় উপস্থিত হন। এ সময় মাঠ ছাপিয়ে আশপাশের সড়ক, পথঘাটসহ সন্নিহিত বিশাল এলাকা লাখো মানুষের মুহুর্মুহু স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে। খালেদা জিয়ার ৫০ মিনিটের বক্তৃতায় পুরোভাগ জুড়ে ছিল সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট, নিপীড়ন-নির্যাতন ও ব্যর্থতার চিত্র। সেই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে ১৮দলীয় জোট জয়লাভ করলে কি কি করবেন তার সংক্ষিপ্ত ফিরিস্তি।
খালেদা জিয়া বলেন, আপনাদের সিলেটের প্রিয় সন্তান ইলিয়াস আলী। সে বারবার এমপি নির্বাচিত হয়েছে। জানতে চাই- ইলিয়াস আলী কোথায়? ইলিয়াসকে সরকার ও তার গোয়েন্দা সংস্থা গুম করেছে। তাকে জীবিত ফেরত চাই। ইলিয়াস আলীর কিছু হলে সরকারের লোকজনকে শাস্তি পেতেই হবে। মনে রাখবেন, আপনারা চিরদিন ক্ষমতায় থাকবেন না। তিনি বলেন, পুরনো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও প্রধানমন্ত্রীর ভাষায় কথা বলেন। আর বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তো দুর্নীতিবাজ। দুর্নীতির দায়ে ১৭ বছর জেল হয়েছিল তার। তিনি এখন চাঁদা আদায় করে বেড়াচ্ছেন।
সাম্প্রতিক রামুতে সংঘটিত সহিংস ঘটনার প্রসঙ্গে বলেন, রামুর ঘটনায় সরকার ও সরকারের লোকজন জড়িত। তাদের না ধরে বিরোধী দলের লোকজনকে ধরা হয়েছে। সেখানে সরকারি দলের লোকজন গেলে ভিক্ষুরা তাদের তাড়া করেছে। বলেছে- চলে যাও তোমাদের দেখতে চাই না। বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে সান্ত্বনা দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন।
খালেদা জিয়া বলেন, হলমার্ক থেকে কত টাকা গেছে সরকারের জানা কথা। সোনালী ব্যাংকও জানে। ৪০০০ কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। বেসিক ব্যাংক থেকে ৩০০০ কোটি লুটপাট হয়েছে। দুদক বলে- চুরির সঙ্গে হাঙর-তিমি জড়িত। অথচ তারা বিরোধী দলকে নানাভাবে হয়রানি করছে, মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। লুটেরা মন্ত্রী-এমপিদের ধরছে না। জোট সরকার ক্ষমতায় এলে প্রথমেই দুদককে ধরা হবে। পদ্মা সেতু দুর্নীতিতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আত্মীয়রা জড়িত উল্লেখ করে বলেন, কানাডায় পদ্মার টাকা সব ভাগ-বাটোয়ার হয়ে গেছে। আমেরিকায়ও ভাগ-বাটোয়ারা হয়ে গেছে। এ দুর্নীতির টাকা মাথা পর্যন্ত গেছে।
খালেদা জিয়া বলেন, হবিগঞ্জের সব উন্নয়ন বিএনপির সময়ে হয়েছে, এ সরকারের সময়ে কোন উন্নয়ন হয়নি। এখানে বিএনপির এমপি হলে আবারও উন্নয়ন হবে। আমরা বাংলাদেশী ও স্বাধীনতার ঘোষকের দল। আমরা কোন বৈষম্য করি না। তিনি বলেন, আমরা যমুনা ব্রিজ করেছি সেখানে কোন দুর্নীতি হয়নি। যেদিন এ ব্রিজের কাজ শুরু হয় সেদিন তারা হরতাল দিয়ে বাধার সৃষ্টি করেছে। আমরা ৮০ ভাগের বেশি কাজ করেছি। তাই যমুনার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব বিএনপির। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জন্য কিছু করেনি। তারা শুধু দুর্নীতি, লুটপাট ও চুরি করেছে।
অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার চিত্র তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, ভিওআইপিতে প্রতিদিন রাষ্ট্রের ১২ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। মাসে ৩৭৫ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। আর বছরে ৪৫৬২ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। এতে মন্ত্রী-এমপি ও প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা জড়িত। তাই চোরাই ভিওআইপির মেশিন থাকলেও ধরা হয় না। এ দুর্নীতিতে মন্ত্রিপরিষদে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত একজন বাম নেতার পুত্র জড়িত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই নেতা মুখে বড় বড় কথা বলে। বড় বড় বুলি আওড়ায়। তার ছেলে এ দুর্নীতিতে জড়িত।
খালেদা জিয়া বলেন, কয়েকদিন আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা ছাত্রশিবিরকে গুলি করেছে, তাড়া করেছে। এ অস্ত্র আসছে কোথা থেকে? আসছে অন্যদেশ থেকে। তিনি বলেন, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিতে জনগণ অতিষ্ঠ। সরকার ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। পারবে কিভাবে? সরকারের উঁচু থেকে নিচু সবাই চুরিতে ব্যস্ত। চোর চোরকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে? প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা সাহেব বলেছেন, সরকারের লোককে দেখলে বলতে হবে- তুই চোর। এ পর্যায়ে তিনি জনতার কাছে জানতে চান, মূসা সাহেব কি বলেছেন? কি বলেছেন? এ সময় সমস্বরে আওয়াজ ওঠে, ‘তুই চোর’। এরপর খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ আন্তর্জাতিক চোর। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় শিল্পী কামরুল হাসান স্বৈরাচার এরশাদকে নিয়ে একটি ছবি এঁকেছিলেন। নাম দিয়েছিলেন ‘বিশ্ববেহায়া’। আজ বিশ্ব বেহায়া-বিশ্বচোর এক হয়েছে। দেশকে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে।
তিনি একটি পত্রিকা দেখিয়ে বলেন- ইনি কে? সুরঞ্জিত। নিয়োগ বাণিজ্যে সুরঞ্জিতের ভাগ ১০ কোটি। কোন মন্ত্রী রেল, কোন মন্ত্রী পদ্মা ব্রিজ, কোন মন্ত্রী ভিওআইপি, কোন মন্ত্রী শেয়ারবাজার আর প্রধানমন্ত্রীর পরিবার সব চুরিতেই আছে। বিশ্বচোরের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে। জিয়া মুক্তিযুদ্ধের সময় এ এলাকায় যুদ্ধ করেছেন। আজ আমরা প্রয়োজনে যুদ্ধ করে বিশ্বচোরদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করবো।
তিনি হবিগঞ্জবাসীর উদ্দেশে বলেন, আপনাদের পাশেই সীমান্ত। সেখানে প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যা করছে বিএসএফ। আমাদের সীমান্তরক্ষা বাহিনী কি করছে? অন্যদেশ থেকে বলা হয়, নিহতরা চোরাকারবারি। আসলে তারা আমার দেশের নিরীহ মানুষ। বেগম জিয়া আবেগমথিত কণ্ঠে বলেন, আপনারা কি আমার বোন ফেলানীর লাশ দেখেননি? তাকে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। এ সরকার প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে পারেনি।
খালেদা জিয়া বলেন, কয়েকদিন আগে আলেমদের ওপর সরকার নির্যাতন করেছে। বয়স্ক মানুষদের ওপর লাঠিচার্জ ও অত্যাচার করছে। আলেমদের মারছে, মিথ্যা মামলা দিচ্ছে, গ্রেপ্তার করছে। কয়েকদিন আগে শিক্ষকদের টিয়ার শেল, লাঠিচার্জ করে মরণাপন্ন করা হয়েছে। এ সরকারের আমলে দেশ নিরাপদ নয়। আলেম-ওলামা-রাজনীতিবিদ-ডাক্তার-শিক্ষক-ব্যবসায়ী- মা বোন-সাধারণ মানুষ কেউই নিরাপদ নয়।
বিরোধী নেতা বলেন, আগামী দিনে নিজেরা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করবে তাই সব জায়গায় দলীয় লোককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সব জায়গায়। বিচারবিভাগে ন্যায় বিচার পাওয়া যায় না। দলীয় লোক বসানো হয়েছে। বিচারকদের টেলিফোন করে বলা হয়, ওমুককে জামিন দিতে হবে, অমুককে রিমান্ডে নিতে হবে, অমুককে জেলে দিতে হবে। পুলিশ বিভাগ ভরে দেয়া হয়েছে একটি জেলার লোকে।
খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। সরকার যা বলে তারাও তাই বলে। তারা টিয়েপাখির মতো আওয়ামী লীগের কথা বলে। এ কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। আওয়ামী লীগের কেলেঙ্কারিতে দেশ ভরে গেছে। এখন কিছু না পেয়ে বলে জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ। কিন্তু তারাই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের সঙ্গে যুক্ত। আওয়ামী লীগের সময়ে জঙ্গিবাদ শুরু হয়। তাদের সময়েই যশোর, নারায়ণগঞ্জ, কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ, ঢাকা রমনার বটমূলেসহ নানা জায়গায় বোমাবাজি হয়েছে। কিন্তু তারা কাউকে ধরেনি। কারণ সে ঘটনার সঙ্গে তাদের লোকজনই জড়িত ছিল। জঙ্গিদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সম্পর্ক আছে। সেটা তাদের অস্ত্র দেখলেই বোঝা যায়। তারাই জঙ্গি। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন- শায়খ আবদুর রহমান কে জানেন? তিনি মির্জা আজমের দুলাভাই। তাকে আমরাই ধরেছি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিডিআরের পিলখানায় এতবড় হত্যাকাণ্ড ঘটে গেল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অনেক যোগ্য ও দক্ষ। তারা জাতিসংঘ মিশনে সুনাম অর্জনে করেছে। কিন্তু অনুমতির কারণে তারা সেদিন পিলখানায় যেতে পারলো না। ফলে সেখানে ৫৭ জন  সেনা কর্মকর্তা নিহত ও তাদের পরিবার বর্বর নির্যাতনের শিকার হলো। যা বলতেও লজ্জা হয়। সেদিন সেনাপ্রধান মইন ছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। বিদ্রোহীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছেই গিয়েছিল। তাদের শেরাটনের খাবার এনে খাওয়ানো হয়েছে। আসলে আওয়ামী লীগের লোকজনই এ ঘটনায় জড়িত। আসল খুনিদের ছেড়ে দিয়ে সাধারণ সৈনিকদের অত্যাচার করা হচ্ছে। সেখানে ৫০-৬০ জনকে মেরে ফেলা হয়েছে। আত্মহত্যার কথা বলা হচ্ছে, তবে এটা মিথ্যা।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, তিনদিন ধরে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। কিছু হলেই অবরুদ্ধ, টিয়ার গ্যাস, নির্যাতন করা হয়। এভাবে আর চলতে দেয়া যায় না। দেশবাসীর উদ্দেশে বলতে চাই- আপনারা কি দেশকে বাঁচাতে চান, নিজেরা বাঁচতে চান তবে আপনাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। রুখতে হবে। রোখার সময় এসেছে, আপনাদের রুখতে হবে।
জনস্রোত হবিগঞ্জের নিউফিল্ডে
খালেদা জিয়ার জনসভা ঘিরে পুরো সিলেট বিভাগে জনস্রোত নামে। সিলেটের চারটি জেলা ও পার্শ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদীতে ১৮ জোট নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের দাবি নিয়ে নেতাকর্মীদের গন্তব্য ছিল হবিগঞ্জের নিউফিল্ড। এদিকে সকাল থেকে অঝোর ধারার বৃষ্টি উপেক্ষা করে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে মিছিল সহকারে মাঠে আসতে থাকে জনতা। বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবি সংবলিত ব্যানার পোস্টারেরও ছিল আধিক্য। স্বেচ্ছাসেবকদল, ছাত্রদল ও যুবদলের বেশির ভাগ ব্যানার ফেস্টুনে ছিল ইলিয়াস আলীর ছবি। মহিলা সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার এমপি’রও ব্যানার পোস্টার ছিল চোখে পড়ার মতো। ‘তোমার স্বপ্ন মানুষের জন্য, তোমার জন্ম এদেশের জন্য, তুমি এলে হবে নবান্ন, প্রতীক্ষার হবে শেষ, তোমাকে চায় বাংলাদেশ’- এই স্লোগানে শাম্মী আক্তারের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিল প্রতিটি মোড়ে মোড়ে।
জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মো. ফয়সল ও শেখ সুজাত মিয়া এমপির সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তৃতা করেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমদ বীরবিক্রম, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক এমপি, মহিলা এমপি শাম্মী আকতার শিফা, এনপিপির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মর্তুজা, পিপলস লীগের চেয়ারম্যান গরীবে নেওয়াজ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, ফজলুল হক আসপিয়া,  সাবেক এমপি আবু লেইচ মুবিন চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিুজল বারী হেলাল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরব, ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, সিনিয়র সহসভাপতি বজলুল করিম আবেদ, মহিলা এমপি আসিফা আশরাফী পাপিয়া, জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোখলেসুর রহমান, বিএনপি নেতা ডা. আহমেদুর রহমান আবদাল, ইসলাম তরফদার তনু, এনামুল হক সেলিম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিকে গউছ।
জনসভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক আবদুল মান্নান, অর্থনৈতিক সম্পাদক আবদুস সালাম, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরাফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু উপস্থিত ছিলেন।   
পথে পথে মানুষের ঢল
ঢাকা থেকে সড়কযোগে হবিগঞ্জে আসার পথে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার নিয়ে দলীয় চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানান বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার গাড়ি বহর যাত্রাবাড়ী পৌঁছালে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ, নবীউল্লাহ নবী, নারায়ণগঞ্জে তৈমূর আলম খন্দকার, কাজী মনির, অধ্যাপক রেজাউল করিম, যুবদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান দিপু, নরসিংদীতে খায়রুল কবির খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শরিফুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে খালেদ মাহবুব শ্যামল বিপুল সংখ্যক কর্মী নিয়ে দলীয় চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানান। নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জগামী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা। খালেদা জিয়ার দিনাজপুর সফরে সাংবাদিকদের হয়রানির কিছুটা পুনরাবৃত্তি ছিল হবিগঞ্জেও।
লিফলেটে ইলিয়াসকে ফেরত ও সরকারের দুর্নীতির ফিরিস্তি
জনসমাবেশ কয়েকটি লিফলেট বিতরণ করা হয়। একটি লিফলেটে ছিল গুম হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর মেয়ে সাইয়ারা নাওয়ালের কান্নাজড়িত ছবি ও আবেদন ছিল।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে