Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৪-২০১২

রামুর ঘটনায় পুলিশি ব্যর্থতার তদন্ত দাবি অ্যামনেস্টির


	রামুর ঘটনায় পুলিশি ব্যর্থতার তদন্ত দাবি অ্যামনেস্টির

কক্সবাজার-উখিয়া-রামুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। একই সঙ্গে বসবাসরত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহবান জানানো ছাড়াও ঘটনা আগে থেকে জেনেও পুলিশের নিরাপত্তা প্রদানের ব্যর্থতাকে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।  সংস্থার পক্ষ থেকে দেয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বিভিন্ন মন্দির ও বৌদ্ধ-ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত বিভিন্ন গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই যথাযথ বিচারের আওতায় আনতে হবে ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম শহরে হামলায় ২০টিরও বেশি বৌদ্ধ মন্দির ও মঠ এবং কমপক্ষে একটি হিন্দু মন্দির, বহু বাড়িঘর ও দোকানপাট জ্বালিয়ে দেয়া হয়। এতে আরও বলা হয়, গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট ফেসবুকে পবিত্র কোরআনের অবমাননাকর ছবি পোস্ট করার প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও গবেষক আব্বাস ফায়েজ বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলোর ওপর জঘন্য এ হামলাগুলোর মাত্রা ও হিংস্রতা মুসলিম, অ-মুসলিম ও দেশটির পুরো নাগরিক সমাজকে একইভাবে বিস্মিত করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না। বিবৃতিতে বলা হয়, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার ঘটনায় জনসমক্ষে নিন্দা জানাতে সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের আহ্বান জানাচ্ছে ও একই সঙ্গে তাদের সদস্যদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশ না নেয়ার অনুরোধও জানাচ্ছে। এতে বলা হয়, আসন্ন হামলা সম্পর্কে আগে থেকে খবর পাওয়া সত্ত্বেও, পুলিশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা উদ্বেগজনক ও অবশ্যই এর তদন্ত করতে হবে। গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম পুলিশের ডেপুটি ইনসপেক্টর জেনারেল অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে বলেছিলেন, তদন্তকাজ শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কক্সবাজারে অবস্থিত রামু থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দায়িত্বে অবহেলা করেছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৩০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফায়েজ বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন, তার উদ্দেশ্য ও ধরন অবশ্যই জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, বৌদ্ধ, হিন্দু ও অন্য সব প্রত্যক্ষদর্শী যারা সাক্ষ্য দেবেন, তাদের সুরক্ষা দিতে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে হবে। হামলার জন্য যারা দায়ী বলে চিহ্নিত হবে, তাদের আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের মানদণ্ডের আলোকে যথাযথ বিচারের আওতায় আনতে হবে। সহিংসতায় আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করাসহ তাদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো অবশ্যই পুনঃনির্মাণ করতে হবে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে এত বড় ধরনের হামলার ঘটনা এটাই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয় অ্যামনেস্টির ওই প্রতিবেদনে।

 

 

 

  • সোমবার রামু যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • রামুর ঘটনা পরিকল্পিত, গোয়েন্দারা জানতেন: ড. মিজান
  • রামুকা- : ধ্বংসস্তূপে মানবেতর জীবন

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে