Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (40 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-৩০-২০১২

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুট: ১৫ ফেরির ১৪টিই পুরনো


	মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুট: ১৫ ফেরির ১৪টিই পুরনো

মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে চলাচলরত ১৫টি ফেরির মধ্যে ১৪টি ফেরিই অনেক পুরনো। বারবার মেরামত করে বছরের পর বছর ধরে এসব ফেরি দিয়েই চলছে গুরুত্বপূর্ণ এ নৌরুটে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার।
বার বার মেরামতের ফলে মেশিনের শক্তি কমে যাওয়ায় পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোত উপেক্ষা করে ফেরিগুলো ঘাটে নোঙর করতে পারে না। এ কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় হঠাৎ এ নৌরুট বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ২০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শনিবার দুপুর ২টায় আবারও ফেরি চলাচল শুরু হলেও বিআইডব্লিউটিএ’র টাগ জাহাজ শৈবালের সাহায্য নিয়ে পুরনো এ ফেরিগুলো মাওয়া ঘাটে নোঙর করছে।
বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ছাড়া মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে চলাচলরত অন্য ১৪টি ফেরি অনেক পুরনো। রো রো ফেরি শাহমখদুম ১৯৮৪ সাল, কেতকি ও কিশোরী ২০০০ সাল, কাকলী ২০০৮ সাল থেকে বার বার মেরামতের মাধ্যমে চলাচল করছে।
সূত্রটি আরও জানায়, ডাম্প ফেরিসহ অন্য ফেরিগুলোও পুরনো হয়ে গেছে। এর ফলে ফেরিগুলোর মেশিনের শক্তি কমে যাওয়ায় পদ্মায় বয়ে যাওয়া প্রচণ্ড স্রোত অতিক্রম করতে পারছে না। তাই বিআইডব্লিউটিএ’র শক্তিশালী টাগ জাহাজ শৈবালের সাহায্য নিতে হচ্ছে।
পুরনো এসব ফেরি আবারও মেরামত করা প্রয়োজন। এগুলো মেরামত করে মেশিনগুলো শক্তিশালী করা হলে নিজ শক্তিতেই এসব ফেরি চলতে পারবে।
সরেজমিন দেখা গেছে, শনিবার দুপুর ২টার দিকে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে রো রো ফেরি শাহমখদুম মাওয়া ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়। বিকেল ৫টার দিকে রো রো ফেরি শাহমখদুম মাওয়া লঞ্চ ঘাট পর্যন্ত এসে পদ্মার তীব্র স্রোতের কারণে নোঙর করতে পারছিল না।
এসময় বিআইডব্লিউটিএ’র টাগ জাহাজ শৈবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে রো রো ফেরি শাহমখদুমকে পেছন দিক থেকে ঠেলে সাহায্য করলে সন্ধ্যা ৬টার দিকে অবশেষে মাওয়া ৩ নম্বর ঘাটে নোঙর করতে সক্ষম হয় ফেরিটি।
এর আধাঘণ্টা পর কে-টাইপ ফেরি কেতকিকে একইভাবে মাওয়া ২ নং ঘাটে নোঙর করতে সাহায্য করে শৈবাল। এরপর পর্যায়ক্রমে রাত ৭টার মধ্যে কে-টাইপ ফেরি কিশোরী, ফরিদপুর, কাকলীকেও নোঙর করানো হয় মাওয়া ঘাটে।
বিআইডব্লিউটিসির মাওয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক এস এম আশিকুজ্জামান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, একমাত্র রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১ বছর ধরে চলাচল করায় ও এর মেশিন শক্তিশালী হওয়ায় এটি নিজস্ব ক্ষমতায় ঘাটে নোঙর করতে সক্ষম হয়।
বিআইডব্লিউটিএ’র টাগ জাহাজ শৈবালের মাস্টার অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, মাওয়া ঘাটের ৫শ’ গজের মধ্যে প্রচণ্ড স্রোত ও ঘূর্ণাবর্ত। পুরনো ফেরিগুলোর মেশিন দুর্বল হয়ে পড়ায় স্রোত উপেক্ষা করে এগুলো ঘাটে নোঙর করতে পারছে না। তাই শৈবালের সাহায্যে ফেরিগুলোকে নোঙর করতে সাহায্য করা হচ্ছে।
এদিকে, রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি পারাপার অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া টাগ জাহাজ শৈবাল সাহায্যের জন্য সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে