Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০ , ৭ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২০-২০১২

জট খুলে যাচ্ছে পদ্মার


	জট খুলে যাচ্ছে পদ্মার

বিশ্ব ব্যাংকের চার শর্তের শেষ শর্ত নিয়ে ওয়াশিংটনে আলোচনা হওয়ার পর পদ্মা সেতু প্রকল্পে বহুজাতিক এ দাতা সংস্থাটির ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিশ্ব ব্যাংকের ঘোষণা আসছে ‘যে কোনো মুহূর্তে’।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠান শেষে মুহিত বলেন, “পদ্মা প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের ফিরে আসার বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে। বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে যে কোনো মুহূর্তে এ ব্যাপারে ঘোষণা আসবে। তারা এ ব্যাপারে ঘোষণা দেয়ার পরই সরকারের পক্ষ থেকে আমরা ঘোষণা দেব।”
বুধবার ওয়াশিংটনে বিশ্ব ব্যাংক সদর দপ্তরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্থায়ন নিয়ে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী ও বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইনসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা বৈঠকে অংশ নেন।
এ প্রসঙ্গ টেনে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একজন উপদেষ্টা ওয়াশিংটনে বিশ্ব ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখান থেকে ইতিবাচক একটি খবর আমাদের কাছে এসেছে।”
“আশা করছি, বিশ্ব ব্যাংক দু’একদিনের মধ্যে আমাদের আনুষ্ঠানিক একটি ঘোষণা দেবে”, বলেন মুহিত।
দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত সেপ্টেম্বরে বিশ্ব ব্যাংক ২৯১ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার চুক্তি স্থগিত করে। এরপর চারটি শর্ত দিয়ে তা পালিত হয়নি জানিয়ে গত ২৯ জুন ঋণচুক্তি বাতিল করে সংস্থাটি।
ফলে এ প্রকল্পের অপর ঋণদাতা এডিবির ৬১ কোটি ৫০ লাখ, জাইকার ৪০ কোটি এবং আইডিবি ১৪ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতিও আটকে যায়। তবে সরকারের অনুরোধে এডিবি ও জাইকা তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ দুই দফা বাড়ায়।
এরই মধ্যে বিশ্ব ব্যাংককে ফেরাতে সরকারের নানা উদ্যোগ চলতে থাকে। বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত মেনে তাদের উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগ করেন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসাইন ভূঞা যান ছুটিতে।
শর্ত মেনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং পদ্মা প্রকল্পের ইন্টিগ্রিটি অ্যাডভাইজার মসিউর রহমানও ছুটিতে গেছেন বলে সরকারের একাধিক সূত্র গত মঙ্গলবার জানালেও তিনি তা অস্বীকার করে আসছেন।
মসিউর রহমানকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “পদ্মা সেতুসহ সরকারের কোনো আর্থিক বিষয়ে মসিউর রহমানের কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না।”
সমঝোতার জন্য সরকারের পাশাপাশি বিশ্ব ব্যাংককেও কিছু ‘ছাড়’ দিতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
“বিশ্ব ব্যাংক প্রথমে বলেছিল, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। আমরা বিষয়টি বার বার অস্বীকার করে তাদের কাছে তুলে ধরার পর তারা এখন সম্ভাব্য দুর্নীতির কথা বলছে। আমাদেরও কিছু বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।”
গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলীয় নেতাদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, মসিউর সরে গেলে বিশ্ব ব্যাংক সিদ্ধান্ত বদলাবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে