Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ , ১০ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-২০-২০১২

ঘোষণা ছাড়াই বিমানের অভ্যন্তরীণ সব ফ্লাইট বন্ধ


	ঘোষণা ছাড়াই বিমানের অভ্যন্তরীণ সব ফ্লাইট বন্ধ

বন্ধ হয়ে গেল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অভ্যন্তরীণ রুটের সব ফ্লাইট। এখন আর দেশের অভ্যন্তরে কোন যাত্রী বিমানে কোথাও যেতে পারবেন না। আগে কানেক্টিং ফ্লাইটে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী নেয়া হলেও এখন তা-ও নেয়া হবে না। পাশাপাশি ঢাকা-সিলেট-দুবাই ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। অগ্রিম কোন ঘোষণা ছাড়া ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়ায় বিপাকে পড়েছেন চট্টগ্রাম ও সিলেট রুটের যাত্রীরা। সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক রুটের বিপর্যয় কাটাতে ২৯শে নভেম্বর পর্যন্ত এসব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। বিমানের মহাব্যবস্থাপক খান মোশাররফ হোসেন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের রুটের ফ্লাইট নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে সমস্যা চলছে। ওই সমস্যা নিরসনের জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, উড়োজাহাজ সঙ্কটের কারণে বিমান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের মোট সাতটি অভ্যন্তরীণ রুটের পাঁচটি বন্ধ  করা হয়েছিল আগেই। এরপর বিভিন্ন রুটের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংযোগ ফ্লাইট হিসেবে সিলেট ও চট্টগ্রামে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট চলছিল। এখন অভ্যন্তরীণ রুটের সকল ফ্লাইট বন্ধ করায় সিলেট-চট্টগ্রামের যাত্রীদের ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হবে। ২৯শে নভেম্বর পর্যন্ত দেশের দু’টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের কোন ফ্লাইট ওঠানামা করবে না। য়ের যাত্রীরাও বিক্ষুব্ধ হতে পারে। সব মিলিয়ে বিমান এখন সংকটকালীন সময় পার করছে। এদিকে
গতকাল চট্টগ্রাম ও সিলেটের ফ্লাইট থাকলেও তা ডিলে দেখানো হয় প্রথমে। পরে তা আর ডিলে না দেখিয়ে ১১টার দিকে সকল ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ কারণে যাত্রীরা যেতে পারেননি। তাদের কেউ কেউ বিমানবন্দরে এসে ফিরে যান। কোন কোন যাত্রীকে আগে ভাগেই জানানো হয়েছে ফ্লাইট না যাওয়ার কথা। যাদের বেশি প্রয়োজন ছিল তাদেরকে অন্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের টিকিট কিনে পাঠাতে হয়েছে। এ অবস্থায় যাত্রীদের অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়েছে। কারণ, এখন অভ্যন্তরীণ রুটে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও রিজেন্ট এয়ার চলে। এই দু’টি এয়ারলাইন্স প্রতিদিনই একাধিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বিমানের চেয়ে এদের ভাড়া বেশি। সূত্র জানায়, বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন ওই দুটি এয়ারলাইন্সে চাপ বাড়ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক রুটে বিমান নতুন করে কোন ফ্লাইট বন্ধ না করলেও গতকালও বেশ ক’টি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে যেতে পারেনি। সব ফ্লাইটে কম বেশি ডিলে হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বেশি। ফ্লাইট ঠিক সময়ে না যাওয়ায় ফিরতি ফ্লাইটের যাত্রীরাও ভোগান্তিতে পড়ছেন। এদিকে হোটেলে অবস্থানকারী বিমানের যাত্রী সংখ্যাও বাড়ছে। তাদের পেছনে বিমানের ব্যয়, বাড়ছে। বিমানের এক কর্মকর্তা বলেন, বিমান এক যাত্রীর কাছ থেকে যে পরিমাণ ভাড়া নিচ্ছে তার বেশির ভাগ অংশই এখন তাদের পেছনে খরচ হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে বিমানের ফ্লাইট চালানোর খরচ উঠে আসা তো দূরের কথা বিমানকে লোকসান গুনতে হবে। এদিকে গতকালও বিমানবন্দরে অনেক যাত্রীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে