Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৪ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.2/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২১-২০১১

সাকিবের দুই লক্ষ্য

সাকিবের দুই লক্ষ্য
দুই পেসারের বেশি খেলানো হবে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিত। তার মানে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে আরেকজন বাঁহাতি বিশেষজ্ঞ স্পিনারের খেলার সম্ভাবনা প্রবল। কে তিনি? কাল রাতে মিলল উত্তর?ইলিয়াস সানি। তাঁর সঙ্গে আজ টেস্ট অভিষেক হচ্ছে নাসির হোসেনেরও। ১৪ জনের দল থেকে একাদশের বাইরে থাকছেন নাজমুল হোসেন, মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী ও শুভাগত হোম চৌধুরী।
বিকেলের অনুশীলনে মাঠের দুই পাশের দুই নেটে পাওয়া গেল দুই বাঁহাতি ইলিয়াস সানি ও সোহরাওয়ার্দীকে। একটিতে সোহরাওয়ার্দী অনেকক্ষণ ব্যাটিং করলেন। আরেকটিতে শেষ দিকে অল্প সময়ের জন্য ব্যাট হাতে নিলেও বোলিংই বেশি করলেন সানি। আগের দিন কোচ স্টুয়ার্ট ল-ই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম টেস্টেই অভিষেক হচ্ছে সানির।
টেস্ট খেলা নিয়ে বিকেলে অবশ্য বেশি কিছু বলতে রাজি ছিলেন না সানি, ?আমি আগেও বলেছি, জাতীয় দলের হয়ে যেকোনো পর্যায়ের ক্রিকেটে খেলাই অনেক বড় সম্মানের। টেস্টের ১৪ জনের দলে থাকাই আমার জন্য গর্বের।?
উইকেট সম্পর্কে যে পূর্বাভাস, ব্যাটিং এখানে কঠিন হবে না। তবে প্রথম দিনের প্রথম ঘণ্টাটা হতে পারে পেসারদের। পরে উইকেট ধীরে ধীরে বন্ধু হয়ে যাবে স্পিনারদের। সে ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব নিতে হবে সাকিব আল হাসানকেই। যদিও সাবেক অধিনায়কের মুখে প্রথম উচ্চারিত হলো ব্যাটিংয়ের কথা, ?আমার প্রথম লক্ষ্য, ভালো ব্যাটিং করা। কারণ ব্যাটিংয়ের জন্যই বেশি পরিশ্রম করছি। বড় ইনিংস খেললেই মানুষ বেশি মনে রাখে।? তাই বলে হোম কন্ডিশনে দলের সেরা স্পিনার হয়েও বোলিং নিয়ে ভাববেন না সাকিব! ভাবছেন, তবে একটু অন্যভাবে, ?বল হাতেও টার্গেট আছে একটা। যেকোনো এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিতে হবে। টেস্টে এখন আমার ৫ উইকেট রফিক ভাইয়ের (মোহাম্মদ রফিক) সমান, সাতবার। আর একবার পেলেই ওনাকে ছাড়িয়ে যাব।?
মোহাম্মদ রফিককে ছাড়িয়ে যাওয়ার কাজটা চট্টগ্রামেই বেশি সম্ভব বলে মনে হয় সাকিবের। কারণ এখানকার উইকেট যতটা স্পিনবান্ধব, মিরপুরের উইকেট ততটা নয়। সাকিবের ৫ উইকেট পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা চট্টগ্রাম টেস্টে প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিচ্ছে বাঁহাতি স্পিনের কাছে। তবে শাহরিয়ার নাফীসের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ভালো ব্যাটিং, ?আমাদের বোলাররা নিজেদের মাঠে নিয়মিতই ভালো বল করে। কিন্তু ওদের ২০ উইকেট নেওয়ার সুযোগ করে দিতে চট্টগ্রামের উইকেটে দুই ইনিংস মিলিয়ে অন্তত ৬০০-৬৫০ রান করতে হবে আমাদের। এদিক দিয়ে ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বটাই বেশি বলব।? শাহরিয়ারের মতো দুই ওপেনার তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েসও নিচ্ছেন দায়িত্বটা। ওয়ানডের ?লাকি গ্রাউন্ড? জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সেই আত্মবিশ্বাসে হতে পারে বাড়তি জ্বালানি। কাল অনুশীলন দেখতে এসে স্থানীয় এক তরুণ তামিমকে প্রশ্ন করে বসলেন, ?চট্টগ্রামে আপনার প্রথম সেঞ্চুরি কবে দেখব?? তামিম হাসলেন, যে হাসির অর্থ হতে পারে, ?এবারই হয়ে যেতে পারে!? টেস্টে চারটি সেঞ্চুরি, ওয়ানডেতে তিনটি?তবে ঘরের মাঠে এখনো কোনো ধরনের ক্রিকেটেই সেঞ্চুরি নেই তামিমের। টেস্টে সর্বোচ্চ গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৬, ওয়ানডেতে একই বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৫।
সেঞ্চুরির লক্ষ্যের কথা আলাদা করে বলেননি। তবে পরশু অনুশীলনের ফাঁকে টেস্ট ক্রিকেটে ভালো কিছুর জন্য বাংলাদেশের বড় ইনিংস গড়ার বিকল্প দেখছিলেন না তামিম, ?বোলিং-টোলিং পরে, আগে আমাদের বড় ইনিংস খেলতে হবে।? এই বড় ইনিংসের ভিতটা তামিমের সঙ্গে গড়ে দেওয়ার দায়িত্ব ইমরুলেরও। কিন্তু টেস্টে চট্টগ্রামের এই মাঠ যে এখন পর্যন্ত তেমন কিছুই দেয়নি বাঁহাতি এই ওপেনারকে! বিশ্বকাপে এই মাঠে দুটি ফিফটি পেলেও এই টেস্টের আগ পর্যন্ত এখানে ৬ টেস্টে ১০.৩৩ গড়ে রান মাত্র ৬২, সর্বোচ্চ ২৩! ইমরুলের কণ্ঠে তবু আশার গান, ?শেষ ওয়ানডের জয় আমাদের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা। চট্টগ্রামের মাঠ এবার আশা করি টেস্টেও লাকি হবে।?
ইমরুলের মুখে ফুলচন্দন পড়ুক!

ফুটবল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে