Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.3/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২১-২০১১

লৌহমানব গাদ্দাফি নিহত

লৌহমানব গাদ্দাফি নিহত
৪২ বছর দেশ শাসনের পর গত ফেব্রুয়ারিতে টলে ওঠে লিবিয়ার নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির গদি। তবে পিছু না হটে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ?আমি যোদ্ধা, লড়তে লড়তে যুদ্ধক্ষেত্রেই মরতে চাই।? প্রতিরোধরত অবস্থায়ই গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত হলেন লিবিয়ার লৌহমানব গাদ্দাফি।
লিবিয়ার জাতীয় অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ (এনটিসি) জানিয়েছে, গাদ্দাফিকে তাঁর জন্মস্থান সিরত শহর থেকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এরপর তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে আটক অবস্থায় কীভাবে তাঁর মৃত্যু হলো, তা কোনো পক্ষই নিশ্চিত করে জানায়নি।
গাদ্দাফির নিহত হওয়ার সময়কার যে বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে গাদ্দাফির ছেলে মুতাসিমের মৃত্যুর ঘোষণায়। এনটিসি গতকাল একই সঙ্গে দাবি করেছে, গাদ্দাফির সঙ্গে ছেলে মুতাসিমও নিহত হয়েছেন। কিন্তু গত ১৪ অক্টোবর এনটিসির অন্তর্ভুক্ত ত্রিপোলি রেভল্যুশনারি কাউন্সিল (টিআরসি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিল, মুতাসিমকে সিরত থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেনগাজিতে নেওয়া হয়েছে। ফলে সিরত শহরে গাদ্দাফি ও তাঁর ছেলের একই সঙ্গে মৃত্যুর সময়কার যে পরিস্থিতি এনটিসি বর্ণনা করছে, তা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
গত ২৩ আগস্ট লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির চূড়ান্ত পতনের পর গাদ্দাফির অনুগত যোদ্ধারা তাঁর জন্ম শহর সিরতসহ কয়েকটি শহরে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছিল। গতকাল গাদ্দাফির মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সিরতেরও পতন হয়েছে বলে দাবি করেছে এনটিসি।
তবে গতকাল এনটিসির ঘোষণার আগেই বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে গাদ্দাফির রক্তাক্ত ছবি ও ভিডিওচিত্র। কোনো এক এনটিসি যোদ্ধার মুঠোফোনে ধারণ করা ওই ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, গাদ্দাফিকে জীবিত আটক করা হয়। এ সময় তাঁর মাথা, মুখমণ্ডল ও ঘাড় রক্তে ভিজে যাচ্ছিল। তিনি হাঁটার চেষ্টা করছেন আর তাঁকে টানাহেঁচড়া ও বিদ্রূপ করছেন এনটিসি যোদ্ধারা। একপর্যায়ে তাঁকে টেনে তোলা হয় একটি গাড়ির সামনের বনেটের ওপর। সেখানে থেকেও তাঁকে আবার টেনেহিঁচড়ে নামানো হয়। একজন গাদ্দাফির মাথা বরাবর বন্দুক তাক করে ধরেন। ওই ব্যক্তি তাঁকে তখনই গুলি করেছেন কি না, তা ভিডিওতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল না। বিবিসি, আল আরাবিয়া ও আল-জাজিরাসহ বিভিন্ন টেলিভিশন এই ভিডিওচিত্র প্রচার করে।
৪২ বছর দেশ শাসনের পর গত ফেব্রুয়ারিতে টলে ওঠে লিবিয়ার নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির গদি। তবে পিছু না হটে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ?আমি যোদ্ধা, লড়তে লড়তে যুদ্ধক্ষেত্রেই মরতে চাই।? প্রতিরোধরত অবস্থায়ই গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত হলেন লিবিয়ার লৌহমানব গাদ্দাফি।
লিবিয়ার জাতীয় অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ (এনটিসি) জানিয়েছে, গাদ্দাফিকে তাঁর জন্মস্থান সিরত শহর থেকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। এরপর তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে আটক অবস্থায় কীভাবে তাঁর মৃত্যু হলো, তা কোনো পক্ষই নিশ্চিত করে জানায়নি।
গাদ্দাফির নিহত হওয়ার সময়কার যে বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে গাদ্দাফির ছেলে মুতাসিমের মৃত্যুর ঘোষণায়। এনটিসি গতকাল একই সঙ্গে দাবি করেছে, গাদ্দাফির সঙ্গে ছেলে মুতাসিমও নিহত হয়েছেন। কিন্তু গত ১৪ অক্টোবর এনটিসির অন্তর্ভুক্ত ত্রিপোলি রেভল্যুশনারি কাউন্সিল (টিআরসি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিল, মুতাসিমকে সিরত থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেনগাজিতে নেওয়া হয়েছে। ফলে সিরত শহরে গাদ্দাফি ও তাঁর ছেলের একই সঙ্গে মৃত্যুর সময়কার যে পরিস্থিতি এনটিসি বর্ণনা করছে, তা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
গত ২৩ আগস্ট লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির চূড়ান্ত পতনের পর গাদ্দাফির অনুগত যোদ্ধারা তাঁর জন্ম শহর সিরতসহ কয়েকটি শহরে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছিল। গতকাল গাদ্দাফির মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সিরতেরও পতন হয়েছে বলে দাবি করেছে এনটিসি।
তবে গতকাল এনটিসির ঘোষণার আগেই বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে গাদ্দাফির রক্তাক্ত ছবি ও ভিডিওচিত্র। কোনো এক এনটিসি যোদ্ধার মুঠোফোনে ধারণ করা ওই ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, গাদ্দাফিকে জীবিত আটক করা হয়। এ সময় তাঁর মাথা, মুখমণ্ডল ও ঘাড় রক্তে ভিজে যাচ্ছিল। তিনি হাঁটার চেষ্টা করছেন আর তাঁকে টানাহেঁচড়া ও বিদ্রূপ করছেন এনটিসি যোদ্ধারা। একপর্যায়ে তাঁকে টেনে তোলা হয় একটি গাড়ির সামনের বনেটের ওপর। সেখানে থেকেও তাঁকে আবার টেনেহিঁচড়ে নামানো হয়। একজন গাদ্দাফির মাথা বরাবর বন্দুক তাক করে ধরেন। ওই ব্যক্তি তাঁকে তখনই গুলি করেছেন কি না, তা ভিডিওতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল না।

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে