Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২৫-২০১২

‘ইউনূসের প্ররোচনায় অবাঞ্ছিত চাপ’

‘ইউনূসের প্ররোচনায় অবাঞ্ছিত চাপ’
ঢাকা, অগাস্ট ২৫- বাংলাদেশের ওপর অবাঞ্ছিত চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইউনূসের প্ররোচনা থাকার অভিযোগ এনেছেন ৫১ বিশিষ্ট নাগরিক।

তারা বলছেন, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে এ ধরনের চাপ মেনে নেওয়া যায় না।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, শিল্পী কাইয়ূম চৌধুরী, কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক, শিল্পী হাশেম খান, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নজরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্তও এতে স্বাক্ষর করেছেন।

অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশীদ, কবি বেলাল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার ও নাট্যকার মামুনুর রশীদ, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, কবি নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা প্রমুখ।

বিবৃতিতে তারা বলেন, “তাদের (দাতাগোষ্ঠী) এই অবাঞ্ছিত চাপ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল, যা স্বাধীন দেশের কোনো নাগরিকের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।”

গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বর্তমান সরকার ও ইউনূসের মধ্যে মতপার্থক্য থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী বয়সসীমা অতিক্রম করায় ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় তিনি মামলা দায়ের করেন এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সরকারের সিদ্ধান্তকে আইনানুগ বলে রায় প্রদান করে।

‘কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, আইনি লড়াইয়ে হেরে গিয়ে ড. ইউনূস তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্রে বৃহৎশক্তি ও দাতাগোষ্ঠীকে দিয়ে বাংলাদেশের ওপর নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন।’

গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের বিধি পরিবর্তন করে সংশোধিত গ্রামীণ ব্যাংক আইন বুধবার অধ্যাদেশ আকারে জারি করে সরকার। বৃহস্পতিবার এটি প্রকাশ হওয়ার পর ইউনূস দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

পাশাপাশি নতুন সরকার এসে এই অধ্যাদেশ পরিবর্তন করে গ্রামীণ ব্যাংককে পূর্বাবস্থায় প্রতিষ্ঠিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তার ওই বক্ত্যবের বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এ ধরনের কথা বলে ইউনূস দেশবাসী, বিশেষ করে তরুণ সমাজেকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। বর্তমানে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার বহাল থাকা অবস্থায় তিনি নতুন সরকার বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট করেননি।’

ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের চেষ্টাকে ‘শান্তি স্থাপন’ বিবেচনা করে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংককে।

২০১০ এর ডিসেম্বরে নরওয়ের টেলিভিশনে প্রচারিত একটি প্রামাণ্যচিত্রে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ ব্যাংককে দেওয়া বিদেশি অর্থ এক তহবিল থেকে অন্য তহবিলে স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। এর পর দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

এই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠন করে সরকার। গ্রামীণ ব্যাংক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে নানা ‘অসঙ্গতির’ তথ্য উঠে আসে ওই কমিটির প্রতিবেদনে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে