Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.8/5 (17 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২২-২০১২

জামায়াত নেতা আজহার গ্রেপ্তার

জামায়াত নেতা আজহার গ্রেপ্তার
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশের পর জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে বিচারপতি নিজামুল হক নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দুপুর পৌনে ২টায় মগবাজারের বাড়ি থেকে আজহারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ জানার পরপরই মগবাজারে ওল্ড এলিফ্যান্ট রোডে আজহারের বাড়ি ঘিরে ফেলে পুলিশ।
পরোয়ানা হাতে পাওয়ার পর দুপুর ২টায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারের পরপরই আজহারকে মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কড়া পাহারায় দুপুর আড়াইটায় তাকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে ঢোকানো হয়।
বিভিন্ন মামলায় কয়েক মাস কারাগারে থাকার পর গত ১৬ অগাস্ট জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন আজহার। এর এক সপ্তাহের মাথায় ফের গ্রেপ্তার হলেন তিনি।
বাড়ির সামনে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় আজহার সাংবাদিকদের বলেন, “সরকার অবৈধভাবে আমাকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে জনগণ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। বিজয় আমাদের হবে।”
জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের রয়েছে।
আজহারকে ট্রাইব্যুনালে কখন নেওয়া হচ্ছে- জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, “আজ যদি আদালত চলে, তবে আমরা তাকে সেখানে নিয়ে যাব। যদি আদালতের কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়, তবে কাল দুপুর পর্যন্ত আমাদের হাতে সময় রয়েছে।”
পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানান, আজহারকে বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।
আজহারের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে সকালে তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন জানায় ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগ।
প্রসিকিউটার জেয়াদ আল মালুম সাংবাদিকদের বলেন, আজহারের বিরুদ্ধে একাত্তরে রংপুরে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন জানানো হয়।
একাত্তরে জামায়াতের তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের রংপুর জেলার সভাপতি ছিলেন আজহার। ওই জেলায় আল বদর বাহিনী সংগঠিত করতে তার ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে আজহারের আইনজীবী ফরিদ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নেতৃত্বশূন্য করতেই আজহারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালানো হবে বলেও জানান তিনি।
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর সাত নেতা গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন- দলের মুক্তিযুদ্ধকালীন আমির গোলাম আযম, বর্তমান আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মো. মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা ও মো. কামারুজ্জামান, মজলিসে শূরার সদস্য মীর কাসেম আলী।
এছাড়া যুদ্ধাপরাধের বিচার চলছে বিএনপির দুই নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে। সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের কারাগারে থাকলেও শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন জিয়াউর রহমানের আমলের মন্ত্রী আলীম।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে