Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.0/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-১৮-২০১২

পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত কক্সবাজার

পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত কক্সবাজার
উপল ঈদ। হাজার হাজার পর্যটক আসবে। তাই প্রস্তুত দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার। হোটেল-মোটেল জোনের প্রায় সব হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউসে চলছে ধোঁয়া-মোছা ও রং করার কাজ। ইতোমধ্যেই শহরের হোটেল-মোটেলগুলোর অধিকাংশ কই অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। টানা ১১ দিনের ছুটিতে এবার বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-ঢাকা রোডে নাজুক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, সৈকতে অসংখ্য গুপ্তখাল সৃস্টির গুঞ্জনসহ নানা কারণে পর্যটক আগমন আশানরূপ হবে কিনা এ নিয়েও সংশয় রয়েছে। এ কারণে বুকিং দেয়ার সময় ক ভাড়ার পুরো টাকা অগ্রিম নিয়ে রাখছে হোটেল-মোটেল কর্তৃপ। কক্সবাজারের পাঁচ তারকামানের হোটেল ওশান প্রাডাইজ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা ডাল্টন জহির জানান, পুরো হোটেল ঈদের পর তিনদিনের জন্য অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য হোটেলের অগ্রিম বুকিংমানি স¤পূর্ণ পরিশোধে বিশেষ ছাড় দেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, বৃহ¯পতিবার থেকে টানা ১১ দিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশ। সুযোগ পেলেই ছুটি কাটাতে কক্সবাজারে ছুটে আসে পর্যটকরা। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ঈদের পর  দিন থেকে শহরের হোটেল-মোটেলগুলোর অধিকাংশ ক অগ্রিম ভাড়া হয়ে গেছে। হোটেল মালিকরা জানান, বর্তমানে কক্সবাজার শহরে ছোট বড় মিলে ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউজ ও কটেজ রয়েছে। এসব হোটেল ও কটেজগুলোতে প্রায় এক লাখ মানুষের থাকার ধারণ মতা রয়েছে। এবারের ছুটিতে প্রচুর পর্যটক থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
কক্সবাজারের তারকা হোটেল সী-গালের প্রধান নির্বাহী শেখ ইমরুল ইসলাম সিদ্দিকী রুমি জানান, ২২,২৩ ২৪ আগষ্টের জন্য ইতিমধ্যে হোটেলর  ৯০ ভাগ অগ্রিম বুকিং হয়েগেছে। এমনকি বর্তমানে হোটেলের ১৮১টি করে মধ্যে সবকটি বুকিং হয়ে গেছে। তিনি জানান, বুকিং ছাড়াও যে পরিমান পর্যটকের আগমন আবাসিক হোটেল-মোটেল কর্তৃপ আশা করছে, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-ঢাকা রোডের নাজুক ব্যব স্থার কারণে ঈদের পর সে পরিমান পর্যটক নাও আসতে পারে।আরেক তারকা হোটেল লং বীচ হোটেলের মুখ্য ব্যবস্থাপক ফরিদুল ইসলাম টিটু জানান, ঈদের পর দুদিন (২২ ও ২৩ আগস্ট)  হোটেলের সব কই অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। হোটেলে অবস্থানকারি পর্যটকদের জন্য সার্বিক সুযোগ-সুবিধা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এদিকে, পর্যটকদের সাদরে বরণ করতে প্রস্তুত করা হয়েছে কক্সবাজারের পর্যটন ¯পটগুলোও। গত কয়েক দিনে পর্যটন ¯পটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, হোটেল-মোটেল জোনের প্রায় সব হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউসে চলছে ধোঁয়া-মোছা ও রং করার কাজ। সৈকতের কিটকটেও (ছাতা-চেয়ার) লাগছে রংয়ের ছোঁয়া। দেশের প্রধান এ পর্যটন কেন্দ্রের মহেশখালী, হিমছড়ি, ইনানী, দরিয়ানগর, বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, টেকনাফ, সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন পর্যটন ¯পটগুলো সাজানো হচ্ছে নতুন করে। একই সাথে নানা রকমের বাহারি বার্মিজ পণ্যের পসরা নিয়ে শহরের বার্মিজ মার্কেটগুলোতেও দোকানিরা বসে আছেন পর্যটকদের অপোয়। এদিকে পর্যটক হয়রানি রোধ ও সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ।
বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো: জয়নুল বারী মানবজমিন অনলাইনকে বলেন, গোসল করতে নেমে যাতে আর কোন পর্যটকের মৃত্যু না হয় তার জন্য বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এ ছাড়া পর্যটক হয়রানি বন্ধে হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় মূল্য তালিকা টাঙানোর নির্দেশসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে পাশাপাশি সার্বণিক মোবাইল কোর্টও মাঠে থাকবে । কক্সবাজারের পুলিশ সুপার সেলিম মুহাম্মদ জাহাঙ্গির জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে হোটেল-মোটেলগুলোতে সিসিটিভি স্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া পর্যটন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে