Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ , ১০ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (24 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৯-২০১২

বিদ্যুতের সাফল্যে দুর্মুখেরা মর্মাহত: উপদেষ্টা

বিদ্যুতের সাফল্যে দুর্মুখেরা মর্মাহত: উপদেষ্টা
ঢাকা, অগাস্ট ০৯- রোজায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে দাবি করে সমালোচকদের এক হাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে পেট্রোবাংলা কার্যালয়ে এক সেমিনারে তিনি বলেন, “গত ৫-৭ বছরের মধ্যে এবার রোজায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়া গেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়নে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করায় এটা সম্ভব হয়েছে।”

“রোজার আগে যারা বলেছিল বিদ্যুৎ বিপর্যয় হবে, সেই দুর্মুখেরা মর্মাহত হয়েছে। বিদ্যুতের এই সাফল্যে কিছু গবেষক মর্মাহত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় অ্যাবসার্ড আলোচনা তুলে ধরছেন।”

তৌফিক-ই-ইলাহী গত ১৬ জুলাই বলেন, রোজার সময় সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে ‘প্রয়োজনে’ সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াগই উৎপাদন করা হবে।

এরপর গত চার অগাস্ট দেশে ছয় হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, যা এ যাবতকালের সর্বোচ্চ উৎপাদন। উৎপাদন বাড়ায় লোডশেডিংও কমে আসে।

জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসের সেমিনারে বাসা-বাড়িতে গ্যাসের ব্যবহার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি সুবিদ আলী ভূইঁয়া।

আবাসিক সংযোগে গ্যাস অপচয় হয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আবাসিকে সব গ্যাস সংযোগে মিটার ব্যবস্থা চালু করতে হবে। নতুন করে আবাসিকে কোনো গ্যাস সংযোগ দেওয়া যাবে না।”

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তৌফিক-ই-ইলাহী সাংবাদিকদের বলেন, “গ্যাসের উৎপাদন আরো বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। তবে গ্যাসের উৎপাদন বাড়লে তা প্রথমে যাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। এরপর যাবে শিল্প কারখানা ও সার উৎপাদনে।”

পেট্রোবাংলার হিসেবে দেশে প্রতিদিন ২৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি রয়েছে ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুট।

বাসা-বাড়িতে প্রতিদিন ২৭৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে ২৬৬ মিলিয়ন ঘনফুট।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হোসেন মনসুর বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে বাপেক্সকে শক্তিশালী করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

১৯৭৫ সালের ৯ অগাস্ট তখনকার আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বহুজাতিক তেল, গ্যাস কোম্পানি শেলের মালিকানায় থাকা দেশের ৫টি গ্যাসক্ষেত্র ৪৪ লাখ পাউন্ডে কিনে তা রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়া হয়। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সালে ৯ অগাস্টকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসাবে পালনের ঘোষণা দেয়।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে