Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০ , ৬ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 4.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৯-২০১২

গ্রামীণের চেয়ে সরকারি ব্যাংকে সুদের হার বেশি -আকবর আলি খান

গ্রামীণের চেয়ে সরকারি ব্যাংকে সুদের হার বেশি -আকবর আলি খান
ঢাকা, ৯ আগষ্ট- সরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে হলে ঘুষ দিতে হয়। এই ঘুষের টাকা যোগ করলে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ে সরকারি অন্য যেকোনো ব্যাংকের সুদের হার অনেক বেশি।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেছেন। গ্রামীণ ব্যাংক রক্ষা ও দুর্জন প্রতিরোধ রক্ষা কমিটি ‘৮৫ লাখ দরিদ্র মহিলাকে গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা থেকে বঞ্ছিত করার প্রতিবাদ’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে।
আকবর আলি খান আরও বলেন, ‘গ্রামের দরিদ্র মানুষকে ঋণের জন্য সরকারের কৃষি ব্যাংক অথবা গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর নির্ভর করতে হয়। আমার হিসাবে গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার সরকারি যেকোনো ব্যাংকের চেয়ে কম। সরকারি ব্যাংকের ঋণ পেতে হলে যে টাকা ঘুষ হিসেবে দিতে হয়, সেটাও খরচের মধ্যে পড়ে। সুতরাং গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হারই কম, সে জন্য দরিদ্র মানুষ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকে।’
আকবর আলি খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাগজে এক কথা বলেন, মুখে বলেন অন্য কথা। ১৯৯৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে ক্ষুদ্র ঋণ-সংক্রান্ত বিশ্ব সম্মেলনে তিনি ড. ইউনূসকে ক্ষুদ্র ঋণের পথিকৃৎ বলে উল্লেখ করেছিলেন।’
গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে আকবর আলি খান বলেন, ব্যাংক আর শেয়ারবাজার থেকে যাঁরা কোটি কোটি টাকা লোপাট করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত হয় না।
গ্রামীণ ব্যাংক আইন সংশোধন উদ্যোগের সমালোচনা করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ, এটা অবিশ্বাস্য। তিনি আরও বলেন, দুই মন্ত্রী দীপু মনি ও মতিয়া চৌধুরী তাঁকে পাগল প্রমাণ করার কাজে নেমেছেন। মতিয়া মনে করছেন, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তিনিই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে, এ সরকার তাঁদের দেশপ্রেমিক বলছে। অথচ প্রকৃত দেশপ্রেমিকদের দুর্নীতিবাজ আখ্যায়িত করা হচ্ছে। সরকারকে মনে রাখতে হবে, ড. ইউনূসকে অপদস্থ করার ক্ষমতা এ দেশের কারও নেই। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংস করার ক্ষমতা সরকারের আছে। সুতরাং সরকারের এই তৎপরতায় ড. ইউনূসের কোনো ক্ষতি হবে না, ক্ষতি হবে ৮০ লাখ দরিদ্র পরিবারের।’
সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনির-উজ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন সাংবাদিক সাদেক খান, সালমা খান, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক রোজিনা বেগম, তাহসিনা আক্তার প্রমুখ।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে