Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (23 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৮-২০১২

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে টানাপড়েন

মেহেদী হাসান



বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে টানাপড়েন
গ্রামীণ ব্যাংক, ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ আরো কয়েকটি ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে টানাপড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফরের পর বাংলাদেশের শ্রম অধিকার ও পোশাক শিল্প নিয়ে সরব ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাব্লিউ মজিনা। ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট (টিকফা) এবং অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস সার্ভিসেস অ্যাগ্রিমেন্টের (আকসা) মতো স্পর্শকাতর দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে বাংলাদেশ এখনো রাজি না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নানামুখী চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে উদ্দেশ করে দুই দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের দুই দফা বিবৃতি নানা মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টির পেছনে যে কটি ইস্যুর কথা জানা গেছে, তার মধ্যে আছে- গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস, টিকফা চুক্তি, আকসা চুক্তি, বাংলাদেশে শ্রম অধিকার, রোহিঙ্গা ইত্যাদি।
গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস : গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ সংশোধনের জন্য সম্প্রতি সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে উদ্বেগ জানিয়ে গত রবিবার বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণ ইস্যুতে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে যে টানাপড়েন শুরু হয়েছিল তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ওই বিবৃতি। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই বিবৃতি প্রমাণ করে, গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যু যুক্তরাষ্ট্র ভুলে যায়নি।
গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যুতে উদ্বেগ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রত্যাশার কথা জানাতে গত বছরের শুরুর দিকে ঢাকা সফর করেন দেশটির দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ও ব্লেক। ড. ইউনূস ইস্যুর সম্মানজনক সমাধান না হলে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে কালো ছায়া পড়বে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান ব্লেক। কিন্তু এরপরও বাংলাদেশ সরকার অনড় থাকায় দৃশ্যত গ্রামীণ ব্যাংকের সক্রিয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপরই জোর দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
গত ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে শুনানিতে রবার্ট ও ব্লেক জুনিয়র বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সক্রিয় কার্যক্রম ও গুরুত্ব অব্যাহত রাখতে ড. ইউনূসের এমন একজন যোগ্য উত্তরসূরি নির্বাচনের ওপর যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্ব দিচ্ছে, যা বাংলাদেশ সরকার ও গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ- উভয় পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
সর্বশেষ গত রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে এমন কোনো উদ্যোগ না নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন গত মে মাসে ঢাকা সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক উদ্যোগের ফলে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত এ ব্যাংকটির কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়বে বলে আমরা উদ্বিগ্ন।'
এদিকে গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা ব্যাংকটির চেয়ারম্যানকে দেওয়ার খবর সঠিক নয়। বিষয়টি আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে জানানো হবে। আর এর মাধ্যমে দেশে-বিদেশে উদ্বেগ নিরসর হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
টিকফা : নিয়োগ পেয়ে ঢাকায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাব্লিউ মজিনা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে বাংলাদেশ সফরে আনা তাঁর স্বপ্ন। আর ওই সফরেই তিনি টিকফাসহ বৃহৎ পরিসরে কাঠামো চুক্তি করতে চান।
গত মে মাসে হিলারির সফরকে ঘিরে এ চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। বাংলাদেশ মনে করে, এ নিয়ে আরো আলোচনার সুযোগ রয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত টিকফার পক্ষে বিভিন্ন ফোরামে বক্তব্য দেন। কয়েক বছর ধরে টিকফা স্বাক্ষরের উদ্যোগ ঝুলে আছে উল্লেখ করে তিনি আভাস দেন, এটি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার মিলবে না। তবে রাষ্ট্রদূতের ওই বক্তব্যের পর পররাষ্ট্রসচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, 'আপনি কাগজ নিয়ে এসে বললেন, আলোচনার সময় নেই। এটাতেই সই করতে হবে। এটাতো হতে পারে না।' পররাষ্ট্রসচিব জোর দিয়ে বলেন, টিকফা না হওয়ার জন্য বাংলাদেশকে কোনোভাবেই দায়ী করা যাবে না।
আকসা : প্রস্তাবিত আকসা চুক্তি নিয়ে দৃশ্যত বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। এটি স্বাক্ষরিত হলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা দেবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী জ্বালানি সংগ্রহ, যাত্রা বিরতি, সাময়িক অবস্থানের জন্য বাংলাদেশে 'পোর্ট অব কল' সুবিধা পাবে। সূত্রে জানা যায়, এ চুক্তি স্বাক্ষর করলে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি আরো জোরদারের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সংশ্লিষ্ট অনেকে এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখালেও অন্তত দুটি মন্ত্রণালয় চুক্তি স্বাক্ষরের আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
শ্রম অধিকার : শ্রমিকদের অধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে চাপ দিয়ে আসছে। পোশাক শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের নেতা আমিনুল ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টিও হিলারি ক্লিনটনের ঢাকা সফরের সময় আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের উদ্বেগের কথাও এসেছে রাষ্ট্রদূতের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে।
পররাষ্ট্রসচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস এ প্রসঙ্গে বছেন, 'বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আটটি সনদের মধ্যে সাতটিতে সই করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র করেছে চারটিতে।'
রোহিঙ্গা সমস্যা : রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করে এমন তিনটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে যুক্তরাষ্ট্র গতকাল বুধবার বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। রোহিঙ্গাদের উসকে দেওয়া এবং এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর অনুমতি ছাড়াই কাজ করার অভিযোগে বাংলাদেশ গত সপ্তাহে ওই এনজিওগুলোর কাজে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
গত জুন মাসের প্রথম দিকে মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে সংঘাত শুরুর পর সেখান থেকে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রতি একাধিকবার আহ্বান জানিয়েছিল। রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয় আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ সেখানেই এটি সমাধানের তাগিদ দিয়ে আসছে। এর আগে গত বছর জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এরিখ পি সুয়ার্টজ ঢাকা সফরকালে বলেছিলেন, মিয়ানমারে সংকট নিরসনের আগে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো ঠিক হবে না। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানগত ভিন্নতা রয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা বাংলাদেশের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।
টানাপড়েনের ফল : গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যুতে গত বছর ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে টানাপড়েন শুরুর সময় ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ছিলেন জেমস এফ মরিয়ার্টি। ড. ইউনূস ইস্যু ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে বলে রবার্ট ও ব্লেক জুনিয়রের মন্তব্যের বাস্তবায়ন ঘটতে শুরু করেছে কি না জানতে চাইলে মরিয়ার্টি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার 'মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ অ্যাকাউন্ট' থেকে বাংলাদেশকে আপাতত বাদ রেখেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত বছর ওয়াশিংটনে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে দীপু মনির বৈঠকে এবং সর্বশেষ গত মে মাসে আবারও দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়নি।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব থাকার কথা উঠলেও রাষ্ট্রদূত মজিনা তা জোর দিয়ে নাকচ করেছেন।
বাংলাদেশও অসন্তুষ্ট : কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করে, টিকফা ও আকসার মতো চুক্তিতে স্বাক্ষর করানোর জন্য বাংলাদেশকে নানামুখী চাপে রাখার চেষ্টা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশব্যাপী সফর ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বক্তব্য নিয়েও সংশ্লিষ্ট মহলে অস্বস্তি ও অসন্তুষ্টি রয়েছে। সূত্র আরো জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভেঙে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পাশ কাটিয়ে অন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও উঠেছে। গত জুলাই মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে অসন্তুষ্টির কথা সুস্পষ্টভাবেই যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসকে জানায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে ধরনের প্রত্যাশা ও ভাবনা রয়েছে, তা পূরণ বা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ওয়াশিংটনে দুই দেশের মধ্যে প্রথম অংশীদারি সংলাপ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে নানা ধরনের বিবৃতি দিয়ে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে জটিল সময় : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন গতকাল বুধবার কালের কণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জটিল সময় পাড়ি দিচ্ছে। আর হঠাৎ করেই এ অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। এ ধরনের জটিল সময় অব্যাহত থাকলে এর প্রভাব বাংলাদেশের বিভিন্ন দাবি, যেমন শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি বা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে টানাপড়েন নিরসনের ওপর পড়তে পারে।
ড. দেলোয়ার বলেন, দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে কী ঘটছে তা বাইরে থেকে অনেকটাই বোঝা যায় না। তবে ড. ইউনূস বা গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ এবং এর পর পরই বিবৃতি দিয়ে রোহিঙ্গা নিয়ে তিনটি বেসরকারি সংস্থাকে কাজ করতে দিতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানানো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ড. দেলোয়ার আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাংঘর্ষিক অবস্থানও দেখা গেছে। গ্রামীণ ব্যাংক ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা আছে। পাশাপাশি টিকফা ও আকসার মতো তাদের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। তিনি বলেন, 'আমি মনে করি, যুক্তরাষ্ট্র কৌশলী প্রয়াস চালাচ্ছে। গ্রামীণ ব্যাংক বা রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে এ দেশের কাছ থেকে ছাড় পাওয়ার চেষ্টা করছে।
ড. দেলোয়ার মনে করেন, বিভিন্ন ইস্যুতে সাংঘর্ষিক অবস্থানের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে অবিশ্বাস, উত্তেজনা বা টানাপড়েন দেখা দিলেও বাংলাদেশের গুরুত্ব যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে অনুধাবন করছে।





জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে