Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০৭-২০১২

গুলতেকিনের বাসায় ড. ইউনূস

গুলতেকিনের বাসায় ড. ইউনূস
ঢাকা, ৭ আগষ্ট- জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন ও তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি গুলতেকিনের বনানীর ফ্ল্যাটে যান। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় অতিবাহিত করেন। এ সময় ড. ইউনূসের কন্যা তার সঙ্গে ছিলেন। সেখানে তিনি গুলতেকিনের পরিবারের সঙ্গে ইফতার করেন। ড. ইউনূসকে পাশে পেয়ে গুলতেকিন অনেকটাই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। খুলে বলেন অনেক কথা। হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে তারা নানা কথা বলেন। হুমায়ূনকে হারানোর কারণে যে অপূরণীয় ক্ষতি হলো তা-ও তুলে ধরেন ইউনূস। হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিচারণ করে তাকে সান্ত্বনা দেন। সেই সঙ্গে তার সন্তানদেরও সান্ত্বনা দেন। ড. ইউনূসের যাওয়ার খবর যাতে কোন গণমাধ্যম জানতে না পারে এ কারণে অনেকটাই গোপন রাখা হয় বিষয়টি। এ কারণে ওইদিন কোন মিডিয়াকে জানানো হয়নি তার বাসায় যাওয়ার বিষয়টি। গুলতেকিন মিডিয়া এড়িয়ে চলতে চাইছেন। ড. ইউনূস আসার খবরে বড় মেয়ে ও তার স্বামী আসেন গুলতেকিনের বাসায়। হুমায়ূন আহমেদের বড় মেয়ে নোভা পিএইচডি ডিগ্রিধারী। তিনি ঢাকার একটি নামী ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। তার স্বামীও একই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তারা থাকেন বনানীর পাঁচ নম্বর রোডে। এছাড়াও বাসায় ছিলেন শীলা, শীলার স্বামী, নোভা ও শীলার সন্তান, সেই সঙ্গে ছিলেন নুহাশ আহমেদ। ড. ইউনূসের মেয়ে তাদের সঙ্গে নানা কথা বলে সময় কাটান।
ড. ইউনূস গুলতেকিনের পরিবারের সবার সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তাদেরকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্ন পূরণে তার সহযোগিতার প্রয়োজন হলেও তিনি পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন। এই সময়ে গুলতেকিন তার সহযোগিতার আশ্বাসের কারণে ধন্যবাদ জানান। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। গুলতেকিন তার চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। সাবেক স্বামীর প্রশংসা শুনে আরও ভেঙে পড়েন। ড. ইউনূসও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।
ড. ইউনূস তার পাশে বসান গুলতেকিনের ছোট সন্তান নুহাশকে। তার সঙ্গেও অনেক কথা বলেন। নুহাশ ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। তার পরীক্ষা চলছে। পিতার মৃত্যু তাকে দারুণভাবে ব্যথিত করেছে। মানসিকভাবেও সে ভীষণ কষ্টে আছে।
এদিকে হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে অনেক লেখালেখি করারও ইচ্ছা আছে নূহাসের। তবে তার পিতাকে লেখা একটি চিঠি তার অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করায় কিছুটা ক্ষোভ নিয়েই বললেন, চিঠিটি আমার ফেসবুক থেকে অনেকেই নিয়েছেন। চিঠিটি প্রকাশ করার জন্য যে অনুমতি নেয়ার দরকার ছিল তা নেয়া হয়নি। বাবাকে লেখা তার অনেক চিঠি এবং তাকে লেখা হুমায়ূন আহমেদের অনেক চিঠি রয়েছে। ওইসব চিঠি তিনি আপাতত প্রকাশ করতে চান না।
উল্লেখ্য, ড. ইউনূস এর আগে হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজ, দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে পৃথকভাবে দেখা করেন।  এছাড়াও তিনি হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারত করতে নুহাশ পল্লীতে গিয়েছেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে