Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ , ৫ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (26 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-৩০-২০১২

হুমায়ূন চাইলেও নুহাশ পল্লীতে রাজি হতাম না-আয়েশা ফয়েজ

হুমায়ূন চাইলেও নুহাশ পল্লীতে রাজি হতাম না-আয়েশা ফয়েজ
ঢাকা, ২৯ জুলাই- সদ্য প্রয়াত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজ বলেন, নুহাশ পল্লীতে কবর দেওয়ার ব্যাপারে হুমায়ূন যদি নিজে থেকেও বলত, তারপরও আমি তা হতে দিতাম না। আমি তাকে গোরস্তানেই কবর দিতাম। হুমায়ূনের মরদেহ যত বেশি বাইরে রাখা হতো তত বেশি তার আত্মা কষ্ট পেত। হাদিসে আছে, একা কোথাও কাউকে কবর দিতে নেই। সবার সঙ্গে কবরস্থানেই মাটি দেয়া ভাল। সেখানে অনেক লোকজন থাকে। একজনের উছিলায় আরেকজন পুণ্য লাভ করতে পারে। এছাড়া, যারা দোয়া করেন, কবরবাসী সকলের জন্যই মোনাজাত করেন। কিন্তু মৃত্যুর পরও মাটি জুটছিল না হুমায়ূনের। তাই আর দেরি না করে নুহাশ পল্লীতেই কবর দেয়া হয়।
বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এ লেখকের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে রত্নগর্ভা মা আয়েশা ফয়েজ বলেন, ছোটবেলায় অনেক চঞ্চল ছিল সে। সারাদিন পুকুরে সাঁতার কাটত, দৌড়াদৌড়ি করত। বলতে বারবারই চোখের পানি মুছছিলেন হুমায়ূনের মা।
অত্যন্ত ক্ষীণস্বরে ৮৪ বছর বয়সী এই মা বলে চলেন, শেষবার যখন দেখা হয়, হুমায়ূন বলে ওঠে, 'মা আমি অসুস্থ'।
হুমায়ূন ক্যান্সার হাসপাতাল করতে চেয়েছিল। কোনোভাবে হাসপাতালটা হলে ভালো হবে। ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য আর দেশের বাইরে যেতে হবে না।
হুমায়ূন আহমেদের অবহেলায় মৃত্যু হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
তবে নুহাশ পল্লীতে শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকা ছেলেকে দেখতে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন বেশ দৃঢ়তার সঙ্গে।
গতকাল রোববার রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই আহসান হাবীবের বাসায় সংবাদমাধ্যমের কাছে আয়েশা ফয়েজ এসব কথা বলেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে