Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.5/5 (18 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-০৬-২০১২

তত্ত্বাবধায়ক সরকার মামলার পুনঃশুনানি চান টিএইচ খান, ‘বিচারপতি খায়রুলের ৩৫০ পৃষ্ঠার রায় অবৈধ’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার মামলার পুনঃশুনানি চান টিএইচ খান, ‘বিচারপতি খায়রুলের ৩৫০ পৃষ্ঠার রায় অবৈধ’
রবীণ আইনবিদ টিএইচ খান তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের লেখা পূর্ণাঙ্গ রায়ের বৈধতার প্রশ্ন তুলে গতকাল দু’টি বিকল্প আইনি ফর্মুলা দিয়েছেন। তার কথায়, এখন হয় তাকে বাদ দিয়ে ওই মামলার রায়দানকারী ছয় বিচারককে রায় লিখতে হবে। সেটা সম্ভব না হলে আপিল বিভাগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মামলার পুনঃশুনানি করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করতে  হবে। শপথ না থাকা অবস্থায় কারও রায় লেখার কোন এখতিয়ার নেই। সে কারণে তিনি বিচারপতি খায়রুল হকের জমা দেয়া রায় গ্রহণ না করার জন্য প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।    
উল্লেখ্য, গত ২৯শে মার্চ রায় জমা দিয়েছি, কিন্তু তা প্রকাশ পাচ্ছে না কেন- এই প্রশ্ন তুলে বাংলাভিশনে সাবেক প্রধান বিচারপতির বক্তব্য প্রচারের পরদিনই টিএইচ খান এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে তার নতুন ফর্মুলা হাজির করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জয়নাল আবেদিন উপস্থিত ছিলেন।
সাবেক বিচারপতি টিএইচ খান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনীর মামলায় বিএনপির পক্ষের প্রধান কৌঁসুলি ছিলেন। টিএইচ খান গতকাল যুক্তি দেন যে, অতীতে কখনও কোন বিচারপতি অবসরে গিয়ে রায় লিখেছেন, সেরকম ভুল দৃষ্টান্ত দেখিয়ে অবৈধ বিষয়কে বৈধতা দেয়া যাবে না। এ প্রসঙ্গে তিনি মাসদার হোসেন মামলায় রায়ের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সাংবিধানিক পদধারীদের পদের শপথের একটি বিরাট সাংবিধানিক গুরুত্ব রয়েছে। যখন হাইকোর্টে নতুন অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়, তখনই তারা এজলাসে বসতে পারেন না। শপথ নেয়ার জন্য তাদের কখনও দু’চারদিন অপেক্ষা করতে হয়। এই সময় তারা বিচারকের আসনে বসতে কিংবা প্রধান বিচারপতি তাদেরকে দিয়ে বিচারিক কোন কাজ করাতে পারেন না। এ থেকেই বোঝা যায়, পদের শপথের গুরুত্ব রয়েছে। টিএইচ খান বলেন, ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলায় একটা শর্ট অর্ডারের নামে গুটিকয় বাক্য লেখা হয়েছিল। সেই বাক্যের জোরে সংসদ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে টিএইচ খান বলেন, প্রায় ৩৫০ পৃষ্ঠার রায় বিচারপতি খায়রুল হক লিখেছেন বলে আমরা জানতে পারছি। ১৭ই মে ২০১১ তিনি অবসরে গেছেন। এখন গত ২৯শে মার্চ রায় জমা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলছেন, তার রায় প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন। জনাব টিএইচ খানের কথায়, এমন মন্তব্য করা তার পক্ষে অনুচিত। কারণ আপিল বিভাগের অন্যান্য কর্মরত বিচারকের সামনে অনেক কাজ পড়ে আছে। তিনি রায় লেখা মাত্রই এখন অন্যরা তাতে মনোসংযোগ করবেন কিভাবে? তবে তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক খায়রুল হকের রায় গ্রহণ করার কোন সুযোগ প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের সামনে নেই। গ্রহণ করলে সেটা অবৈধ হবে। আপিল বিভাগের রুলস দেখিয়ে তিনি বলেন, এই বিধির কোথাও এমন কোন বিধান নেই যার আওতায় বিচারপতি খায়রুল হকের ৩৫০ পৃষ্ঠার রায় গ্রহণ করা যেতে পারে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, তিনি যে দীর্ঘ রায় লিখেছেন, তার নিচে সই দিয়ে তিনি কোন তারিখটি বসাবেন? এপ্রসঙ্গে তিনি তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বৈধ হিসেবে অনুমোদিত হওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে