Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-১৩-২০১১

অলরাউন্ডারদের সিরিজ?

অলরাউন্ডারদের সিরিজ?
ডেভ হোয়াটমোর বাংলাদেশের কোচ থাকলে খুশি হতেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটে ?মিনি অলরাউন্ডার? শব্দটির আগমন সাবেক ওই কোচের হাত ধরেই। ব্যাটিং-বোলিং কোনোটিতেই বিশেষজ্ঞ নয়, কিন্তু দুটো কাজই চালিয়ে নিতে পারার মতো ক্রিকেটার হলো মিনি অলরাউন্ডার। বাংলাদেশে প্রকৃত অলরাউন্ডারের সংকটে ?মিনি?দেরই খুঁজে ফিরছিলেন হোয়াটমোর। আজ বাংলাদেশ দলে মোটামুটি ভালো মানের অলরাউন্ডারই বেশ কজন।
মান যা-ই হোক, ওয়েস্ট ইন্ডিজ কখনোই তেমন অলরাউন্ডার-সংকটে পড়েনি। যথারীতি বাংলাদেশ সিরিজের দলেও আছে একগাদা অলরাউন্ডার। দলীয় সমন্বয় তাই দুই দলেই আছে, ব্যাটিং গভীরতা অনেক, বোলিংয়ে অনেক বিকল্প। অলরাউন্ডারদের সাফল্য-ব্যর্থতাই হয়তো গড়ে দিতে পারে এই ওয়ানডে সিরিজের ভাগ্য।
নিজের দলে অলরাউন্ডারের ছড়াছড়ি, ড্যারেন স্যামিকে বেশ গর্বিতই মনে হলো, ?ওয়েস্ট ইন্ডিজ বরাবরই অনেক অলরাউন্ডার পেয়েছে। তবে এখন আমাদের দলে এমন অলরাউন্ডার আছে যারা শীর্ষ চারে ব্যাটিং করতে পারে, আবার কাজ চালানোর চেয়েও অনেক ভালো বোলিং করতে পারে।?
অলরাউন্ডারদের মান বিচারে কোন দল এগিয়ে, তা নিয়ে তর্ক হতে পারে। তবে বৈচিত্র্যে নিঃসন্দেহে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের সব অলরাউন্ডারই স্পিনিং অলরাউন্ডার। একসময়ের সম্ভাবনায় লেগ স্পিনার মোহাম্মদ আশরাফুল অফ স্পিন করা শুরু করেছেন সেও অনেক দিন। তাঁর মতো নাঈম ইসলাম ও নাসির হোসেন ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি অফ স্পিন করেন। অলরাউন্ডারের তালিকায় না পড়লেও মাঝেমধ্যে হাত ঘোরান শুভাগত হোম?তিনিও অফ স্পিনার। অলক কাপালি লেগ স্পিনার, সাকিব আল হাসান বাঁহাতি?বৈচিত্র্য বলতে এই!
ওয়েস্ট ইন্ডিজে দেখুন, খুঁজে পাবেন মোটামুটি সম্ভব সব রকমের অলরাউন্ডারই। ড্যারেন স্যামি, কার্লোস ব্রাফেট ও আন্দ্রে রাসেল?পেস বোলিং অলরাউন্ডার। এর মাঝেও আছে বৈচিত্র্য, স্যামি অনেকটাই সুইং ও লাইন-লেংথনির্ভর বোলার, রাসেল-ব্রাফেটের নির্ভরতা বাউন্স ও বৈচিত্র্যে। ব্যাটিংয়ে তিনজনেরই শেষ কথা আক্রমণ। কাইরন পোলার্ড ও লেন্ডল সিমন্স আবার স্লো মিডিয়াম পেসার। সিমন্স অবশ্য পুরোপুরিই খণ্ডকালীন বোলার। কিন্তু ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দারুণ কার্যকর পোলার্ডের মিডিয়াম পেস। বাংলাদেশের উইকেটে তো আরও বেশি কার্যকর হওয়ার কথা তাঁর বোলিং। পোলার্ডের আরেকটি সম্পদ তাঁর ফিল্ডিং, মাঠের যেকোনো পজিশনেই তিনি পরম নির্ভরতা।
মারলন স্যামুয়েলসের হয়ে কথা বলবে তাঁর রেকর্ডই। বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটির কারণে দীর্ঘদিন বোলিং করতে পারেননি, অ্যাকশন শুধরে ছাড়পত্র পেয়েছেন এই সিরিজের আগেই। বাংলাদেশে এসে হাত ঘোরাচ্ছেন আর উইকেট পাচ্ছেন। দুই প্রস্তুতি ম্যাচে দুটি করে উইকেট, পরশুর টি-টোয়েন্টিতে তো দুই দল মিলিয়েই তিনি ছিলেন সেরা বোলার। বোলিংয়ে এত বিকল্প থাকার সুবিধাটা স্যামি বলছিলেন, ?ক্রিকেটে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বোলারের খারাপ দিন আসে। এত বিকল্প থাকলে মূল বোলাররা খারাপ করলেও পুষিয়ে নেওয়া যায়।?
তবে এঁদের অলরাউন্ডার বলতে আপত্তি থাকতে পারে শুদ্ধতাবাদীদের?দুটিতেই ভালো না হলে আবার অলরাউন্ডার নাকি! সত্তর-আশির দশকের সেই চার অলরাউন্ডারের মতো অলরাউন্ডার কোথায়, এই হাহাকার শোনা যায় কান পাতলেই। এখানটাতেই ব্যতিক্রম একজন। ব্যাটিং-বোলিং দুটিতেই আলাদা করে দলে জায়গা পাওয়ার যোগ্যতা বিশ্ব ক্রিকেটে সম্ভবত শুধু একজনেরই আছে?সাকিব আল হাসান!
গত অক্টোবরে নিউজিল্যান্ড সিরিজে পেরেছিলেন, এবারও কি দুই দলের মাঝে পার্থক্য গড়ে দিতে পারবেন সাকিব?

ফুটবল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে