Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ , ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-৩১-২০১২

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করা হবে ব্যয়বহুল

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করা হবে ব্যয়বহুল
বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করা হবে ব্যয়বহুল। এজন্য প্রতিবছর বাংলাদেশের ব্যয় হবে ৪৪০ কোটি টাকা । নিয়ম অনুযায়ি জাতিসংঘের যে কোনো বাংলা অনুবাদে প্রতি পৃষ্ঠায় প্রায় ২৫০০ মার্কিন ডলার ব্যয় হবে। এদিকে জাতিসংঘের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি দেশ বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা করা হলে তাদের কি লাভ হবে সে প্রশ্ন তুলেছেন। একইসঙ্গে আর্থিক দায়িত্বের বিষয়টি কে নেবে তাও তারা জানতে চান। গতকাল সংসদে প্রশ্নোত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড: দীপু মনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নতুন যে কোনো ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ঘোষণার সঙ্গে বিশাল আর্থিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অন্য কোনো রাষ্ট্র এ ব্যয়ভার বহনে অংশীদার না হতে চাইলে বাংলাদেশকে পুরো ব্যয়ভার বহন করতে হবে। মন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রচলিত ভাষার বাইরে নতুন কোনো ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে অধিষ্ঠিত করতে হলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে দর কষাকষি করে সাধারণ পরিষদে নতুন ম্যান্ডেন্ট গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ২০১০ সালের ২১ এপ্রিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমি সকল সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের চিঠি দিয়ে বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে অধিষ্ঠিত করার জন্য প্রস্তাবিত রেজুলেশন সমর্থন করার অনুরোধ জানাই। কতিপয় বন্ধুপ্রতীম দেশছাড়া প্রায় সব দেশই আর্থিক দায়িত্বের বিষয়টি কে নেবে তা জানতে চায়।মন্ত্রী বলেন, এখন বোধ হয় সময় এসেছে বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সঙ্গে আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করার বিষয়ে সুদূর প্রসারী চিন্তা-ভাবনা করার। এ বিষয়ে আমি জাতীয় সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সমুদ্রসীমা রক্ষায় মার্কিন প্রস্তাব নেই
এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার রক্ষায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাছ থেকে কোনো প্রস্তাব আসেনি। তিনি বলেন, সমুদ্রের কয়েকটি ব্লকে কয়েকটি মার্কিন কোম্পানি আগে থেকে নিয়োজিত আছে। রাশেদ খান মেননের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। রাশেদ খান মেনন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের সময় সমুদ্র সীমা রক্ষায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিণীর কাছ থেকে  প্রস্তাব পাওয়া গিয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমে পড়েছি। আসলে কি ধরনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে? উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হিলারি ক্লিনটনের সফরে তাদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা পাহারা বা রক্ষার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট  কোনো আলোচনা হয়নি। তাদের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাবও দেয়া হয়নি। তবে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার কিছু ব্লকে কয়েকটি মার্কিন কোম্পনি আগে থেকে নিয়োজিত আছে। তারা ব্যবসা করছে। তিনি বলেন, সমুদ্রসীমা রক্ষায় আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীকেই শক্তিশালী করতে হবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে