Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৭ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (32 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০২-২৭-২০১৬

তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ

তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ

ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারী- বাংলাদেশ বর্তমানে একমাত্র সাবমেরিন কেবলে সংযুক্ত। সে কেবলটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাতে যোগাযোগ বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই পরবর্তীতে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সংযোগ এখনও প্রক্রিয়াধীন। এদিকে তৃতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের এক তৃতীয়াংশ ব্যান্ডউইথ এখনো অব্যবহৃত। আগামী বছর থেকে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল চালু হলে আরও ১৩০০ জিবিপিএস (গিগাবাইট/সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ দেশে আসবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কের আরও একটি সাবমেরিন ক্যাবল কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হতে আগ্রহী বাংলাদেশ। তবে অর্থ বিনিয়োগ না করে ব্যান্ডউইথ আদান-প্রদানের মাধ্যমে এ ক্যাবলে যুক্ত হতে চাইছে সরকার। কারণ আগের দুই ক্যাবলে সংযোগ নিতেই খরচ হয়েছে কয়েক শ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কম্পানিকে (বিএসসিসিএল) কনসোর্টিয়াম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে কস্ট অব বেনিফিট বিবেচনা করে একটা সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে বলেছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সূত্র জানিয়েছে, হুয়াও মেরিন নামে একটি কম্পানি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আগ্রহী দেশগুলোকে এক সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্যাবলের রুট বঙ্গোপসাগর দিয়ে অতিক্রম করবে। প্রাথমিকভাবে বলা হচ্ছে, এটা চীন থেকে মিয়ানমার হয়ে ভারত কিংবা শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত যাবে।

বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন কেবল সিমিউইফোর-এর সঙ্গে সংযুক্ত হয় ২০০৫ সালে। ৩৫.২ মিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যয়ে এই কনসোর্টিয়ামে যোগ দেয় বাংলাদেশ। এ  ক্যাবলটি কোনো কারণে কাটা পড়লে বা ত্রুটি দেখা দিলে তা মেরামত করতে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগে। এতে তথ্য প্রযুক্তির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। তাই বিকল্প হিসেবে সরকার সি-মি-উই-৫ নামে নতুন আরেকটি ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নেয়। ২০১৩ সালে পদক্ষেপ নেওয়া হলেও ক্যাবল স্থাপনের কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালে। ক্যাবল স্থাপনের কাজ করছে সিংটেল, সৌদি টেলিকম, ফ্রান্স টেলিকম, চায়না টেলিকম, চায়না মোবাইল ও ভারতী এয়ারটেল। সাগরের নিচ দিয়ে ২৫ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ মূল ক্যাবল সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার পর্যন্ত আসবে।

এখান থেকে আরো ৩০০ কিলোমিটার ক্যাবলের মাধ্যমে এটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ল্যান্ডিং স্টেশনে নেয়া হবে। সি-মি-উই-৫ প্রকল্পে যুক্ত হতে ব্যয় হচ্ছে ৬৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি কোষাগার থেকে ১৬৬ কোটি, প্রকল্প সাহায্য ৩৫২ কোটি এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিলের ১৪২ কোটি খরচ হচ্ছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে