Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৩ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (11 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০২-০৯-২০১৬

এবারও রক্ষা পেল না জিয়ার ম্যুরাল!

এবারও রক্ষা পেল না জিয়ার ম্যুরাল!

ঢাকা, ০৯ ফেব্রুয়ারী- ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর সংগঠনে পদ না পেয়ে নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা করেছিল ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরা। শুধু হামলা নয়, ভেঙে ফেলা হয়েছিল কার্যালয়ের নিচে স্থাপিত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল। ওই ঘটনার পর সংস্কার করে আবারো আগের অবস্থায় ফেরানো হয়েছিল জিয়ার ম্যুরালটিকে। গঠন করা হয়েছিল তদন্ত কমিটি। ওই পর্যন্তই। আর এগোয়নি তদন্ত।

দলের প্রতিষ্ঠাতার ম্যুরালটি আবারো ভাঙলো সেই ‘ছাত্রদলের’ নেতাকর্মীদের হাতে। সোমবার বিকালে এই ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, সামনে না থাকলেও এই বিক্ষোভ ও হামলার নেপথ্যে যারা আছেন তারা সবাই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। কয়েকজন আছেন যারা প্রথম দফায় পদের জন্য বিক্ষোভের সামনের দিকে ছিলেন। তবে তারা সবাই সম্প্রতি ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পেয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিকাল প্রায় চারটার দিকে কয়েকশ লোকের একটা মিছিল পল্টন থানার দিক থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দিকে আসতে থাকে। তারা মিছিল নিয়ে কার্যালয়ের সামনে এসেই ভাঙুচর শুরু করে। এসময় সেখানে থাকা তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়া হয়।  কিছুসংখ্যক লোক কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় গিয়ে ছাত্রদলের নির্ধারিত অফিসে আগুন দেয়। পরে কার্যালয়ের কর্মচারীরা গিয়ে তা নিভিয়ে ফেলে।

ঠিক এসময় কিছু লোক কার্যালয়ের নিচ তলার গেইটের সামনে স্থাপিত জিয়াউর রহমানের ম্যুরালে হামলা করে। ভাঙচুর করা হয় ম্যুরালঘেরা কাচের বেষ্টনি। থাই অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি ব্যারিকেডটিও ভাঙচুর করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা এসময় ‘এলাকা প্রীতি অর্থ-বাণিজ্য ও পকেট কমিটি মানি না মানবো না’ বলে স্লোগান দেন।  

১৯৯৫ সালের দিকে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনেই জিয়াউর রহমানের এ ম্যুরালটি স্থাপন করা হয়। জিয়াউর রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে আবেগের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তার অবস্থান। তার আদর্শকে ধারণ করেই রাজনীতি করেন বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অথচ এ দলের নেতা-কর্মী দাবিকারী ব্যক্তিরাই জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল ভাঙচুর করেছে। এটা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রদলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর  ছাত্রদলের ২০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর প্রায় ১৬ মাস পর গত শনিবার রাত ৭৩৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে