Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.8/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-০৯-২০১৫

চাপ সামলেও বাংলাদেশের বড় জয়

কাওসার মুজিব অপূর্ব


চাপ সামলেও বাংলাদেশের বড় জয়
এমন হাসি ধরে রেখেই ম্যাচ শেষ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

ঢাকা, ০৯ নভেম্বর- ৭৩ রানের জুটি গড়ে একটা চাপ তৈরী ফেলেছিলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরা ও সিকান্দার রাজা। তবে, পেসার আল আমিনের জোড়া আঘাতের পর সেই দুর্ভাবনাটা দূর হয়।

আর মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষের লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা মুহূর্তের মধ্যেই আউট হয়ে গেলে নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের জয়ের। প্রথম ওয়ানডের পর এবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জিতে গেল বাংলাদেশ। এবারের জয়ের ব্যবধান ৫৮ রানের। টসে হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের করা ২৪১ রানের সামনে ৪৩.২ ওভারে ১৮৩ রানেই অল আউট হয়ে যায় সফরকারীরা। ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

এই নিয়ে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মত টানা পাঁচটা সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। আর সিরিজ জয়ে সবচেয়ে বড় অবদানটা অবশ্যই বোলারদেরই ছিল। কারণ, তারাই মাত্র ২৪২ রানের লক্ষ্যটাকে জিম্বাবুয়ের জন্য দু:সাধ্য বানিয়ে ফেলেছিলেন। এল্টন চিগুম্বুরার ৪৭, সিকান্দার রাজার ৩৩ ও ক্রেগ আরভিনের ২৬ রান বাদ দিলে বাকি সবাইকেই বোকা বানিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা।

সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পেয়েছেন মুস্তাফিজ। তবে, নি:সন্দেহে বোলিং ইউনিটে দলের সেরা পারফরমার আল আমিন। আট ওভার বল করে মাত্র ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন দুটি উইকেট। একই সাথে তার কল্যানেই ভেঙে যায় ৭৮ রানের জুটি। এছাড়া নাসির দুটি ও একটি করে উইকে পান আরাফাত সানি ও মাশরাফি। এর আগে, ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের টপ অর্ডারে মাত্র একজন ব্যাটসম্যানই দাঁড়াতে পেরেছিলেন। তিনি হলেন ইমরুল কায়েস। ৮৯ বলে তার করা ৭৬ রানের ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে নয় উইকেট হারিয়ে ২৪১ রান করলো বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠেছে তারই হাতে।

আবারও ব্যর্থ হয়েছেন লিটন কুমার দাস। আট ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত একটাও হাফ সেঞ্চুরির দেখা না পাওয়া লিটন আউট হয়ে গেছেন মাত্র সাত রানেই। তার জায়গায় ওপেনিংয়ে নেমে নিজেকে প্রমান করেছেন ইমরুল। ইমরুল বাদে আরও কয়েকজন ব্যাটসম্যান ভাল সূচনা পেলেও তারা কেউই শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেননি। তামিম ইকবাল ১৯, মুশফিকুর রহিম ২১ ও সাব্বির রহমান রুম্মান ৩৩ রান করে আউট হয়ে যান। মিডল অর্ডার এক অর্থে ব্যর্থ।

নাসির হোসেন সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন অন্তত একটা হাফ সেঞ্চুরি করার। তবে, তিনিও ৫৩ বলে ৪১ রান করে তিনাশে পানিয়াঙ্গারার বলে ফিরে যান সাজঘরে। আর মিডল অর্ডার আর লেট মিডল অর্ডারে বড় ইনিংস না আসার কারণেই প্রথম ম্যাচে করা ২৭৩ রানকে ছাড়িয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের। দলের হয়ে সর্বোচ্চ তিন টি উইকেট পান পানিয়াঙ্গারা। এছাড়া দু’টি করে উইকেট পান তাউরাই মুজারাবানি ও গ্রায়েম ক্রেমার। উইকেটের পিছনে তিনটি ক্যাচ ধরেন চামু চাকাভা।

মজার ব্যাপার হল, ইনিংসে বাংলাদেশের যে ক’টি উইকেটের পতন ঘটেছে তার সবগুলোই কোন না কোন ভাবে ক্যাচ আউট। আর দিন শেষে আবারও জিম্বাবুয়ের সেই হাসি কেড়ে নেয় মাশরাফি-বাহিনী।

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে