Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩০ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 4.3/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-২৯-২০১৫

বাংলাদেশ-ভারতের রক্তের স্রোতধারাকে মিশিয়ে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ: সংস্কৃতিমন্ত্রী

আরিফুল ইসলাম


বাংলাদেশ-ভারতের রক্তের স্রোতধারাকে মিশিয়ে দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ: সংস্কৃতিমন্ত্রী

রাজশাহী, ২৯ অক্টোবর- মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশীদের সঙ্গে ভারতীয়দের রক্ত একই স্রোতধারায় মিশে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, এ রক্তের ঋণ ভুলা যাবে না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সেসময় তিনি আশা প্রকাশ করেন এই নাট্যোৎসব দুই দেশের মেলবন্ধনে ভূমিকা রাখবে। আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকলে বাঙালী সংস্কৃতির বিকাশ হয়। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি ক্ষমতায় থাকলে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়। বর্তমানে উন্নয়ন হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের মধ্যে বসে থাকলে উন্নয়ন বোঝা যায় না।’

অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেন, ‘যে জাতি সংস্কৃতি, শিল্পকলার প্রতি সম্মান দেখায় না, তারা কখনো সামনে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই আমাদের সংস্কৃতিকর চর্চা করতে হবে’। ভারতীয় হাইকমিশনার আরো বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ দেশের যুব শক্তি কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’ বাংলাদেশ ও ভারতের উন্নয়নে জন্য দুই দেশের বন্ধন আরো দৃঢ় করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরোও বলেন, ‘আমারা একই অঞ্চলে বাস করি। আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হলে একসঙ্গে কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দুই দেশের তরুণদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে। কীভাবে আমরা নতুন প্রজন্মের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করবো সেদিকে নজর দিতে হবে।’


বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এই নাট্যোৎসব আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। এটি শুধু নাটকের উৎসব নয়। এটি ভ্রাতৃত্ব, মনুষ্যত্ব ও বন্ধুত্বের উৎসব। আগামীতে এ ধরণের উৎসব আরো হতে পারে। ‘মিলি মৈত্রী বন্ধনে গড়ি সংস্কৃতির সেতু’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বুধবার শুরু হলো আট দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী নাট্যোৎসব।


রাবিতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী নাট্যোৎসবে শিল্পীরা

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মুহম্মদ মিজানউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহান, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা বিভাগের সভাপতি ড. শাহরিয়ার হোসেন। উৎসব কথন পাঠ করেন উৎসবের আহ্বায়ক আরিফ হায়দার।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এর আগে বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে দুই দেশের জাতীয় পতাকা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা, অংশগ্রহণকারী আটটি নাট্যদলের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এসময় নৃত্য পরিবেশন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

নাট্যোৎসবে মোট ১০টি দল অংশগ্রহন করছে। দলগুলো হলো সুরন্দম কলকতা, ভারত, নাট্যভূমি ত্রিপুরা ভারত, কালিন্দী ব্রাত্যজন কলকতা ভারত, প্রাঙ্গণেমোর ঢাকা,দৃশ্যপট ঢাকা এবং নাট্যকলা বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। উৎসব চার নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে